খালিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা অতীতে দেখেছি ভোটকেন্দ্রে মাঠে ছাগল চড়ে বেড়িয়েছে। এবার ভোটকেন্দ্রের মাঠে ছাগল চড়ে বেড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ এবার নির্বাচন হবে ভোটারদের উৎসবমুখর পরিবেশে। এমনকি, আমরা মনে করি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এসময় তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত তিনটি নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছে। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এই প্রথম দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেন, এর উপযুক্ত প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন। নির্বাচন কমিশন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
এসময় উপদেষ্টা বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ভোট ও গণভোট একই সঙ্গে হবে। মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এমনকি, গণভোট ও রেফারেনডমের মাধ্যমে দেশের চেহারা বদলে যাবে, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটবে।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দেশবাসী সর্বগ্রাসী ফ্যাসিজম থেকে মুক্তি পাবেন বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।





