আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামীকাল (রোববার, ১৫ মার্চ) থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে।
এর আগে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর ফলে বৈশ্বিক পর্যায়ের পাশাপাশি দেশেও জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা জাগে। এ প্রেক্ষিতে ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনের জন্য তেল বিক্রিতে রেশনিং চালু করে সরকার।
আরও পড়ুন:
রেশনিং শুরুর সময় সরকারের নির্দেশনায় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা ছিল।
পরবর্তীতে এই ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।





