প্রবাস
দেশে এখন
স্বাধীনতার ৫৪ বছরে ঈর্ষণীয় উন্নয়ন বাংলাদেশের
স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বিশ্বের কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ। কানাডার মতো উন্নত দেশের বিশ্লেষকরাও মনে করেন, এশিয়ার অনেক বড় দেশের থেকেও অর্থনৈতিক কাঠামোয় ঢের শক্ত অবস্থানে লাল সবুজের বাংলা। তবে জোর দিতে হবে বাজার ধরে রাখার কৌশলে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর নানামাত্রিক ক্ষত নিয়ে যে বাংলাদেশের পথচলা শুরু, ৫ দশকে সে দেশ তার অর্থনীতির জোরে নজর কেড়েছে বিশ্বে।

অর্থনৈতিক নানা সূচকে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ। বিশ্বে যখন যুদ্ধ আর মন্দাভাব তখন প্রায় ৫৭ হাজার বর্গ মাইলে ঠিকঠাক ঘুরছে অর্থনীতির চাকা। কানাডার অর্থনীতিবিদ নর্ম হাববার্ট মনে করছেন, উৎপাদন সক্ষমতাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে।

কানাডার অর্থনীতিবিদ প্রফেসর নর্ম হাববার্ট বলেন, 'জাপান, চীন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অনেক মজবুত। আদতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদার অনেক। সবচেয়ে বড় পোশাক রফতানিকারক দেশের মর্যাদা ধরে রেখেছে। আমি বাংলাদেশি হলে, সুপেয় পানি ব্যবস্থাপনায় জোর দিতাম। এখানে অনেক কাজ করার আছে। এছাড়া রাজনৈতিকভাবেও বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে।'

সারা পৃথিবীর অভিবাসীদের কাছে কানাডা গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর আমেরিকার রয়েছে ঐতিহ্যগত সম্পর্ক, এটিকে আরও কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

প্রফেসর নর্ম হাববার্ট আরও বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী আসছেন তারা অনেক কিছু শিখছেন। কানাডা চালাতে তাদের প্রয়োজন। কারণ এখানে বয়স্ক জনসংখ্যা বেশি। তবে যারা নতুন শিক্ষা নিয়ে দেশে ফিরে যেতে চান, তারা দেশে গিয়ে নতুন কিছু করতে পারবেন, ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে তারা সেরা।'

কানাডার বাজারে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' পণ্যের যেমন জনপ্রিয়তা রয়েছে তেমনি দক্ষ ও মেধাবীদের কদর বাড়ছে দিন দিন। এতে ক্রমেই বড় হচ্ছে এখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটি।

ইএ