অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রকাশ করবে। ওএনএসের পূর্ব প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি শূন্য দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছিল। এরপর অক্টোবরে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ সংকোচন ঘটে এবং নভেম্বরে তা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ ঘুরে দাঁড়ায়। জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারে বড় ধরনের সাইবার হামলার পর উৎপাদন স্বাভাবিক হওয়ায় এ প্রবৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গিয়েছে।
অর্থনৈতিক গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান প্যানথিয়ন ম্যাক্রোইকোনমিক্সের হিসেবে, ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্থবির ছিল। যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতের পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্সে-পিএমআইসহ বিভিন্ন জরিপে আবাসন, বাণিজ্যিক নির্মাণ ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে দুর্বলতার ইঙ্গিতও দেখা গেছে।
আরও পড়ুন:
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজেটের পর অনিশ্চয়তা কমায় ডিসেম্বরের উৎসব মৌসুমে খুচরা বাজার, খাদ্য ও হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে ব্যয় কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া ইন্টারঅ্যাকটিভ ইনভেস্টরের ভিক্টোরিয়া স্কলার বলেন, ‘বাজেটের পর অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফিরেছে।’
প্যানথিয়ন ম্যাক্রোইকোনমিক্সের প্রধান অর্থনীতিবিদ রবার্ট উড ধারণা করছেন, প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, তবে তিনি তার দেয়া প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস শূন্য দশমিক ১ শতাংশেই রেখেছেন।
এর মধ্যেই ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ করেছে। পাশাপাশি, ২০২৬ সালের জন্য ১ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের জন্য ১ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে।





