আজ (বুধবার, ১৫ জুলাই) জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বন্যা-পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।
জেলা প্রশাসক জানান, টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি এরইমধ্যে জেলার অধিকাংশ এলাকা থেকে নেমে গেছে। একইসঙ্গে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর উজানে বৃষ্টিপাতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে নদ-নদীর পানির স্তর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং জেলার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তবে পর্যটকদের ভ্রমণের সময় আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন তিনি।
সানিউল ফেরদৌস বলেন, ‘বান্দরবানের অর্থনীতির একটি বড় অংশ পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটনকেন্দ্রগুলো চালু হলে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্ট হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়-রোজগার আবারও সচল হবে। এতে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি ফিরবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কারের কাজও চলমান রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।
উল্লেখ্য, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকির কারণে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন তিন দফায় ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছিল। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র পুনরায় খুলে দেয়া হচ্ছে।





