
পূর্ণাঙ্গ নয়, শুধু ৩০ দিনের জন্য ইউক্রেনে হামলা বন্ধ রাখবেন পুতিন
তাৎক্ষণিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ অস্ত্রবিরতি নয়, ৩০ দিনের জন্য শুধু ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ রাখবেন পুতিন। ট্রাম্পের সাথে দেড় ঘণ্টার ফোনালাপে স্পষ্ট অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির চুক্তি সইয়ে। মন্দের ভালো হিসেবে এ পদক্ষেপে সমর্থন দেবেন জানিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ চেয়েছেন জেলেনস্কিও।

ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধবিরতিতে একমত ট্রাম্প-পুতিন
ফোনালাপে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। হোয়াইট হাউজ জানায়, অস্ত্রবিরতির সূচনা হিসেবে ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনা ও জ্বালানি স্থাপনায় সাময়িকভাবে হামলা বন্ধের প্রস্তাবেও রাজি হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এছাড়া, অস্ত্রবিরতির চুক্তি অনুসারে ১৭৫ জন বন্দিকে মুক্ত করবে ইউক্রেন ও রাশিয়া।

রাশিয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে অভিযোগ জেলেনস্কির
কুরস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি করছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এদিকে, ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির অভিযোগ, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে রাশিয়া।

দখলীকৃত ভূখণ্ড রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেয়া হবে না: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের যে সব অঞ্চল আপাতত রাশিয়ার দখলে তা কোনোভাবেই মস্কোর হাতে ছেড়ে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (১৫ মার্চ) ইউরোপের নেতাদের সাথে ভার্চুয়াল সামিটে অংশ নেয়ার পর জেলেনস্কি আরো বলেন, অস্ত্রবিরতি কার্যকরের আগে অঞ্চল ভাগাভাগির আলোচনায় বসবে না কিয়েভ। এদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলছেন, যুদ্ধবিরতি শুরু হলে ইউক্রেনের নিরাপত্তার প্রশ্নে জেলেনস্কির পাশে থাকবে ইউরোপ ও পশ্চিমা মিত্রশক্তি।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আশ্বস্ত নন পুতিন
মিত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিরাশ না করতে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও কোনোভাবেই এই প্রস্তাব আশ্বস্ত করতে পারছে না রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। এদিকে, ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকায় পুরো বিষয়টিতে ইউক্রেনসহ গোটা ইউরোপকে উহ্য রেখে যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার স্বার্থ দেখা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইউক্রেনে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত পুতিন
প্রায় তিন বছর পর ইউক্রেনে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে জোর দিয়েছেন দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায়। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ) রাজধানী মস্কোতে মিত্রদেশ বেলারুশের প্রেসিডেন্টের সাথে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান রুশ প্রেসিডেন্ট। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাব চলমান সংঘাতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান আনতে পারবে কী না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহচররা।

যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে রাশিয়াকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে: ট্রাম্প
যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি না হলে রাশিয়াকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির বল এখন মস্কোর কোর্টে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরমধ্যেই যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য রাশিয়া যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল। এদিকে ইউক্রেনের সহায়তায় প্যারিসে একত্রিত হয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধান।

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার কুরস্ক অঞ্চল পরিদর্শনে পুতিন
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো কুরস্ক অঞ্চল পরিদর্শনে গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এদিকে কুরস্ক অঞ্চলের দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি করছে দু'পক্ষ।

জেলেনস্কিকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের
ট্রাম্পের সমালোচনা না করে, ৫০ হাজার কোটি ডলারের খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে কড়া বার্তা দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এর পরপরই সুর নরম করে জেলেনস্কি বলেন, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সইয়ে রাজি তিনি। এদিকে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে পুতিনের প্রতি দুর্বল না হতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্টের।

জেলেনস্কির ওপর চটেছেন ট্রাম্প!
কিয়েভকে বাদ দিয়ে ইউক্রেন ইস্যুতে শান্তি আলোচনার বিরোধিতা করায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ওপর চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া আলোচনার প্রথম ধাপের পর, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকেই দোষারোপ করেন তিনি। জানান, চলতি মাসেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের কথাও।

কিয়েভের ন্যাটোতে যোগদান মেনে নেবে না মস্কো
ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে উচ্চপর্যায়ের দল গঠন, রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও পূর্ণ সহযোগিতার বিষয়ে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত চার ঘণ্টার বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় কিয়েভের ন্যাটোতে যোগদান মেনে নেয়া হবে না বলে জানায় মস্কো। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আলোচনার এক পর্যায়ে ইইউকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ট্রাম্প-পুতিনের শান্তিচুক্তির শঙ্কায় ফ্রান্সে জরুরি বৈঠক ইউরোপের নেতাদের
ইউরোপকে বাদ দিয়েই রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়ে আরেক দফা মিত্রদের চমকে দিল যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপের নিরাপত্তায় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, ট্রাম্প-পুতিনের এমন শান্তিচুক্তির শঙ্কায় ফ্রান্সে জরুরি বৈঠক করবেন অঞ্চলটির নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের মিশ্র বার্তার ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখছেন বিশ্লেষকরা।