
‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’; জিকিরের অর্থ, গুরুত্ব ও ফজিলত
দৈনন্দিন জীবনে দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও বিপদে মুমিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হলো আল্লাহর জিকির। ইসলামে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ জিকিরগুলোর অন্যতম হলো “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” (La Hawla Wala Quwwata Illa Billah)। হাদিস শরীফে এই জিকিরটিকে ‘জান্নাতের গুপ্তধন’ (Treasure of Jannah) এবং ‘জান্নাতের অন্যতম দরজা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

যে কারণে মিসওয়াক করতে বলেছেন মহানবী (সা.), জানুন ইসলামিক ও বৈজ্ঞানিক উপকারিতা
সম্প্রতি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই (৭৬.৫%) বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (এসডো / ESDO)। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলছে, যা ত্বকের প্রদাহ, পেটের সমস্যা এবং ক্যানসারের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। এমন প্রেক্ষাপটে সর্বাধুনিক বিজ্ঞানের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচতে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রায় ১৫ শতক আগের এক মহান সুন্নাহ ‘মিসওয়াক’ আজ বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে (Why Prophet Muhammad Said to Use Miswak: Microplastic Risks and Miswak Rules)।

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের বিশেষ ফজিলত; আরবি উচ্চারণসহ বাংলা অর্থ
পবিত্র কোরআনের সবচেয়ে দীর্ঘ ও দ্বিতীয় সূরা হলো আল-বাকারা। এ সূরার শেষ দুটি আয়াত (২৮৫ ও ২৮৬ নম্বর আয়াত) অত্যন্ত বরকতময় ও বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। একাধিক সহিহ হাদিসে আয়াত দুটি রাতে তেলাওয়াত ও আমল করার অসাধারণ মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে (Surah Baqarah last 2 verses virtues, arabic, pronunciation and bangla meaning)।

আশুরার রোজার নিয়ত যেভাবে করবেন, জানুন সহিহ নিয়ম
ইসলামী শরীয়তে মহররম মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ ‘পবিত্র আশুরা’ (Holy Ashura) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এই মহিমান্বিত দিনে রোজা রাখার বিশেষ তাগিদ ও ফজিলত রয়েছে। তবে যেকোনো ইবাদতের কবুলিয়তের প্রধান শর্ত হলো সঠিক নিয়ত। আশুরার রোজার নিয়ত করার সঠিক সময়, বাংলা ও আরবি উচ্চারণ এবং এর ফজিলত নিয়ে অনেকের মনেই নানা জিজ্ঞাসা থাকে।

আশুরার রোজা কি একটি রাখা যাবে? জানুন মহররমের রোজা ও তাৎপর্য
মহিমান্বিত ও তাৎপর্যপূর্ণ ইসলামি মাস মহররমের আগমন ঘটেছে। এই মাসের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা (Holy Ashura 2026) বলা হয়, যা মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। তবে প্রতিবছর মহররমের আগমন ঘটলেই সাধারণ মুসলমানদের মনে একটি প্রশ্ন বারবার উঁকি দেয় আশুরার রোজা কি একটা রাখা যায় (Can we keep one fast for Ashura), নাকি দুটি রোজা রাখা আবশ্যক?

মহররমকে কেন ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়? জেনে নিন ফজিলত ও তাৎপর্য
ইসলামি নববর্ষ বা হিজরি সনের প্রথম মাস হলো পবিত্র মহররম মাস (Muharram month significance)। মুসলিম উম্মাহর কাছে এই মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। পবিত্র কোরআনে যে ৪টি মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত ও যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধ মাস (Four sacred months in Islam) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, মহররম তার মধ্যে অন্যতম। এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় ‘পবিত্র আশুরার দিন’ (Holy Ashura date)।

আশুরার রোজার অনন্য ফজিলত: এক বছর আগের গুনাহ মাফের মহিমান্বিত সুযোগ
আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা (Holy Ashura) বলা হয়। ‘আশুরা’ শব্দের উৎপত্তি আরবি ‘আশারা’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে দশ। পৃথিবীর সূচনা লগ্ন থেকে এই মহিমান্বিত দিবসে বহু স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে আশুরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় এক অধ্যায় (Ashura Roza Fazilat: A Divine Opportunity to Erase Past Year's Sins in Muharram)।

আশুরার রোজার বিধান যেভাবে এলো: জেনে নিন সঠিক নিয়ম ও হাদিস
ইসলামের ইতিহাসে নানা তাৎপর্যপূর্ণ, স্মরণীয় ও অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী পবিত্র আশুরা। আরবি ‘আশারা’ (Ashara) শব্দ থেকে ‘আশুরা’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে, যার শাব্দিক অর্থ হলো '১০'। হিজরি বা আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলা হয় (Holy Ashura 10th Muharram)। পৃথিবীর সৃষ্টিলগ্ন থেকে এই পবিত্র দিবসে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তবে ইসলামে আশুরার রোজার বিধান কীভাবে এলো এবং এর গুরুত্ব কতটা, তা প্রত্যেক মুসলমানের জেনে রাখা জরুরি (History and Rules of Ashura Fasting in Islam)।

হজ করে ফিরে ৪০ দিন কি বাড়ির বাইরে যাওয়া যায় না? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান
হজ মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সর্বোত্তম আমলগুলোর একটি। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ। চলতি বছর গত ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ইতোমধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাজিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, হজ থেকে ফিরে নারীদের নিয়ম (Rules for Women After Hajj) অনুযায়ী নাকি ৪০ দিন বাড়ি থেকে বের হওয়া যায় না কিংবা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া নিষেধ। আসলে ইসলাম কী বলে?

জিলহজ্ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১৫ আমল ও ঈদের নামাজ আদায়ের নিয়ম
ইসলাম ধর্মে জিলহজ্ (Dhul Hijjah) মাস অন্যতম সম্মানিত ও ফজিলতপূর্ণ একটি মাস, যা আমাদের মাঝে নিয়ে আসে পবিত্র হজ এবং মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত কোরবানি। পবিত্র কোরআন (Quran)-এ এই মাসের প্রথম ১০ রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং মহান আল্লাহ তাআলা সুরা ফজরে এই ১০ রাতের কসম খেয়েছেন। বছরের অন্য যেকোনো সাধারণ দিনের তুলনায় জিলহজের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় (15 Actions of First 10 Days of Dhul Hijjah)।

রাব্বি জিদনি ইলমা-এর অর্থ ও ফজিলত
ইসলামের দৃষ্টিতে দোয়া হলো একটি মৌলিক ইবাদত। বিশেষ করে জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির (Increase memory power) জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত একটি দোয়া (Fajilat of Rabbi Zidni Ilma) এ বিষয়ে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে পরিচিত, যা খোদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত: ১০টি বিশেষ নেয়ামত ও অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ
উম্মতের প্রতি নবীজির ছিল গভীর মায়া, সীমাহীন মমতা ও ভালোবাসা। তিনি উম্মতের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি চাইতেন। ‘দরুদ’ একটি ফার্সি শব্দ যা ১৭শ শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় অঙ্গীভূত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং রহমত ও বরকত লাভের মাধ্যম (Durood-e-Ibrahim Benefits)।