পানি-উন্নয়ন-বোর্ড
বর্ষার শুরুতেই তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে জামালপুরে

বর্ষার শুরুতেই তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে জামালপুরে

বর্ষার শুরুতেই তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে জামালপুরের যমুনা তীরবর্তী মাদারগঞ্জ উপজেলায়। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, বসত বাড়ি, ফসলি জমি। ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চান ভুক্তভোগীরা।

সুনামগঞ্জে ফের বাড়ছে নদ নদীর পানি

সুনামগঞ্জে ফের বাড়ছে নদ নদীর পানি

সুনামগঞ্জে আবারও বাড়ছে সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটাসহ সকল নদ-নদীর পানি। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার টাউন খালের পুনঃখনন শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার টাউন খালের পুনঃখনন শুরু

ভরা বর্ষায়ও পানির দেখা মেলে না ব্রাহ্মণবাড়িয়া টাউন খালে। দখল-দূষণে প্রায় ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটি এখন মৃতপ্রায়। শহরের বাসা-বাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর আবর্জনা ফেলা হয় এখানে। তবে টাউন খালে আবারও প্রাণ ফেরাতে পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে।

বর্ষার শুরুতেই আতঙ্কে পড়েন নদী তীরবর্তী মানুষ

বর্ষার শুরুতেই আতঙ্কে পড়েন নদী তীরবর্তী মানুষ

বর্ষার শুরুতেই কুড়িগ্রামে আতঙ্কে পড়েন নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। নানা অনিশ্চয়তায় কাঁপতে থাকে তাদের বুক। একদিকে চলে বন্যার হানা। অন্যদিকে পানি কমলে দেখায় ভাঙনের নির্মমতা। চোখের সামনে বিলীন হয় ভিটেমাটি, গাছপালা, জমি-জিরাত। বর্ষা আসে বর্ষা যায়- তবে বদলায় না নদী কপালিয়া মানুষের ভাগ্যের রেখা।

বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরেও স্বস্তি মিলছে না কেন?

বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরেও স্বস্তি মিলছে না কেন?

একটি বন্যা, হাজারো মানুষের করুন গল্পের নতুন তথ্য। এমনকি ওলট-পালট করে দেয় রাষ্ট্রের অর্থনীতির হিসেব নিকেষকেও। পাল্টে দেয় জলবিদ্যার কৃষি, পুরকৌশল ও জনস্বাস্থ্যের সকল উপাত্তকে। সময় যত যাচ্ছে বন্যার প্রকোপ ততই বাড়ছে বাংলাদেশে। সমানুপাতিক হারে বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে বন্যা নিয়ন্ত্রণে। তারপরও মিলছে না স্বস্তি। কেন এমন পরিণতি? এর সমাধানই বা কি?

কয়েকদিনের মধ্যে কমবে সিলেটের পানি, উত্তরে বন্যার শঙ্কা: পাউবো

কয়েকদিনের মধ্যে কমবে সিলেটের পানি, উত্তরে বন্যার শঙ্কা: পাউবো

'গুরুতর বন্যা পরিস্থিতির ঝুঁকি কম'

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সেইসঙ্গে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বেড়ে বন্যার শঙ্কার কথাও জানিয়েছে পাউবো। কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত গুরুতর বন্যা পরিস্থিতির ঝুঁকি কিছুটা কম।

এক বন্যার রেশ না কাটতেই দ্বিতীয় দফায় পানিবন্দি

এক বন্যার রেশ না কাটতেই দ্বিতীয় দফায় পানিবন্দি

চলতি বছরের দ্বিতীয় দফার বন্যায় এরিমধ্যে সিলেট বিভাগের ৩ জেলায় বন্যায় আক্রান্ত প্রায় ১৬ লাখ মানুষ। এক বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় বন্যায় বিপর্যস্ত পুরো সিলেট। এর ফলে অঞ্চলে প্রতিনিয়তই বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। এদিকে অতি বৃষ্টির সতর্কবার্তা রয়েছে।

খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙন, রুদ্ররূপে কুশিয়ারা

খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙন, রুদ্ররূপে কুশিয়ারা

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠায় শহরের জালালাবাদ এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। তবে এটি অস্থায়ী বাঁধ হওয়ায় বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

সিলেটে বন্যার পানি না কমলে বাস্তুহারা হয়ে পড়বেন স্থানীয়রা

সিলেটে বন্যার পানি না কমলে বাস্তুহারা হয়ে পড়বেন স্থানীয়রা

সিলেট মহানগরসহ ১৩টি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি। নিম্নাঞ্চলে আবারো ক্ষতির মুখে কৃষিজমি ও গবাদিপশু। পানিবন্দি অনেকেই সহায় সম্বল নিয়ে নৌকাযোগে যাচ্ছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন ২য় দফায় এ বন্যার পানি না কমলে বাস্তুহারা হয়ে পড়বেন স্থানীয়রা।

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের ২৬ নদীর পানি বাড়ছে,  বন্যার আশঙ্কা

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের ২৬ নদীর পানি বাড়ছে, বন্যার আশঙ্কা

পাহাড়ি ঢলে নামা অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জের সুরমা, যাদুকাটা, কুশিয়ারাসহ ২৬টি নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

আবারও সুনামগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা

আবারও সুনামগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা

সুনামগঞ্জে আবারও দ্রুত বাড়ছে সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটা নদ-নদীর পানি। এরইমধ্যে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সাথে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় প্রতিনিয়ত নামছে পাহাড়ি ঢল। এতে ঈদের আগে বন্যা আতঙ্কে সময় পার করছেন ভাটির জেলার ২০ লাখ মানুষ।

ভারী বৃষ্টি হলেই নদীর পানি বেড়ে ভাঙে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

ভারী বৃষ্টি হলেই নদীর পানি বেড়ে ভাঙে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে ফেনী জেলার নদী তীরবর্তী জনপদের বাসিন্দাদের। ভারী বৃষ্টি হলেই নদীর পানি বেড়ে ভাঙে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। লোকালয়ে প্রবেশ করে পানি। ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকার ফসলি জমি, নদীগর্ভে বিলীন হয় শেষ সম্বল। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে ৮শ' কোটি টাকার প্রকল্প নেয়ার কথা বলছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।