
মূল্যস্ফীতির সাথে বেড়েছে মাথাপিছু ঋণ, চাপও বেড়েছে সাধারণ মানুষের
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার তার ১৫ বছরের শাসনামলে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ রেখে যায়। শেখ হাসিনা সরকার দেশ এবং বিদেশে থেকে ঋণের বড় একটি অংশ নিয়েছে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ার সাথে বেড়েছে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ। রাষ্ট্রীয় এই ঋণের চাপ বয়ে বেড়াচ্ছে সাধারণ মানুষ।

'আইএমএফ ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তানকে দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে'
ঋণের জালে ফেঁসে রীতিমতো নাস্তানাবুদ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত হয়েছে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে আইএমএফের সঙ্গে হওয়া ৭০০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তির অর্থ এখনও ছাড় না পেয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বতর্মান উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। ভূ-রাজনীতিকে দায়ী করা ছাড়াও, আইএমএফ ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তানকে দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। যদিও, অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আইএমএফের প্রধান দু'টি শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বিপাকে পড়েছে ইসলামাবাদ।

ব্যাংকখাত পুনর্গঠনে দু'তিন বছর সময় লাগবে: গভর্নর
নতুন টাকা ছাপানো হবে না বরং আমানতকারীদের স্বার্থে ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেনের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকে সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। একইসাথে ব্যাংকের আমানতকারীদের শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরতে সময় কম লাগবে। তবে, ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে দু'তিন বছর সময় দরকার বলে জানান গভর্নর।

১৫ বছরের ঋণের বোঝা আর মূল্যস্ফীতির চাপে দিশাহারা মানুষ
গত ১৫ বছরে দেশি-বিদেশি ঋণ নিয়ে দেশের অর্থনীতির অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে এমন উন্নয়নে যে ব্যয় দেখানো হয়েছিল তার বেশিরভাগই হয়েছে আত্মসাৎ ও পাচার। ফলে একদিকে যেমন বেড়েছে ঋণের বোঝা অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপে নাজেহাল হয়েছে সাধারণ মানুষ। এমন অবস্থায় অর্থনীতি সংস্কারে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যেখানে মূল্যস্ফীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী জাপানের মূল্যস্ফীতি
জুলাই মাসেও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে জাপানের মূল্যস্ফীতি। এ নিয়ে টানা তিন মাস ধরে অস্থিতিশীল রয়েছে দেশটির অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থা। সরকারি তথ্যানুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ২ শতাংশের উপরে রয়েছে মূল্যস্ফীতি হার।

বিকেলে বঙ্গভবনে শপথ নেবেন নতুন চার উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের পরিধি বাড়ছে। আজ (শুক্রবার, ১৬ আগস্ট) বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেবেন আরও চার উপদেষ্টা।

পোশাক খাতের প্রণোদনা উঠিয়ে নেয়া; অর্থনীতিবিদরা ইতিবাচক দেখলেও ঘোর আপত্তি রপ্তানিকারকদের
৪০ বছর পার করা তৈরি পোশাক খাত থেকে প্রণোদনা উঠিয়ে নেয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেক অর্থনীতিবিদ। প্রতিষ্ঠিত খাতকে অব্যাহতভাবে নগদ প্রণোদনা না দিয়ে পিছিয়ে পড়া কিংবা নতুন শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রণোদনায় বৈচিত্র্য আনার পরামর্শ তাদের। যদিও রপ্তানিকারকদের মধ্যে রয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। সুবিধা হারিয়ে তাদের শঙ্কা, এতে রপ্তানি যেমন কমবে, তেমনি নতুন উদ্যোক্তা ও বাজার হারাতে পারে বাংলাদেশ।

শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম কেবিনেট সভা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রথম কেবিনেট সভা। আজ ( শুক্রবার, ৯ আগস্ট) দুপুরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দুই সমন্বয়ক
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাচ্ছে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন এই সরকারে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে স্থান পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক। তারা হলেন মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সবাইকে নিয়ে কীভাবে সংকট থেকে বের হওয়া যায় তা নিয়ে কাজ করবো
প্যারিস ছাড়ার আগে রয়টার্সকে ড. ইউনূস
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সবাইকে নিয়ে কিভাবে সংকট থেকে বের হওয়া যায় তা নিয়ে কাজ করবো। আজ (বুধবার, ৭ আগস্ট) প্যারিস ছাড়ার আগে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া বক্তব্যে এ কথা তিনি বলেন।

এক বছরে ওষুধের বাজারের প্রবৃদ্ধি অর্ধেকে নেমেছে
দ্বিগুণ মূল্যস্ফীতির বিপরীতে আয় বেড়েছে ১%
এক বছরে ওষুধের বাজারের প্রবৃদ্ধি অর্ধেকে নেমেছে। অ্যান্টিবায়োটিক, মাল্টি ভিটামিন ও গ্যাস্ট্রিক জাতীয় ওষুধের প্রবৃদ্ধি কমেছে সবচেয়ে বেশি। চার বছরে মূল্যস্ফীতি দ্বিগুণের বিপরীতে মানুষের এক শতাংশ আয় বাড়াকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদরা।

শূন্য কার্বন অর্থনীতি বিনির্মাণে বছরে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইয়েলেনের বিবৃতি
কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পাশাপাশি অর্থনীতি পুনর্গঠনেও কাজ করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তবে এজন্য ২০৫০ সাল নাগাদ প্রতি বছর ৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইয়েলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানা গেছে।