কোরআন
জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের ১৫ আমল ও ঈদের নামাজ আদায়ের নিয়ম

জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের ১৫ আমল ও ঈদের নামাজ আদায়ের নিয়ম

ইসলাম ধর্মে জিলহজ্ব (Dhul Hijjah) মাস অন্যতম সম্মানিত ও ফজিলতপূর্ণ একটি মাস, যা আমাদের মাঝে নিয়ে আসে পবিত্র হজ এবং মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত কোরবানি। পবিত্র কোরআন (Quran)-এ এই মাসের প্রথম ১০ রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং মহান আল্লাহ তাআলা সুরা ফজরে এই ১০ রাতের কসম খেয়েছেন। বছরের অন্য যেকোনো সাধারণ দিনের তুলনায় জিলহজ্বের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় (15 Actions of First 10 Days of Dhul Hijjah)।

যাদের কোরবানি কবুল হয় না:  কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

যাদের কোরবানি কবুল হয় না: কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, কারও কাছে যদি সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা এর সমপরিমাণ নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি (Whose Qurbani is Not Accepted) আবশ্যক।

দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত: ১০টি বিশেষ নেয়ামত ও অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত: ১০টি বিশেষ নেয়ামত ও অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

উম্মতের প্রতি নবীজির ছিল গভীর মায়া, সীমাহীন মমতা ও ভালোবাসা। তিনি উম্মতের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি চাইতেন। ‘দরুদ’ একটি ফার্সি শব্দ যা ১৭শ শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় অঙ্গীভূত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং রহমত ও বরকত লাভের মাধ্যম (Durood-e-Ibrahim Benefits)।

মৃত্যুর পর কুলখানি ও চল্লিশা: সামাজিক প্রথা বনাম ইসলামি বিধান

মৃত্যুর পর কুলখানি ও চল্লিশা: সামাজিক প্রথা বনাম ইসলামি বিধান

সৃষ্টিজগতের অমোঘ নিয়ম হলো মৃত্যু। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন, "জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে"। কারো মৃত্যুর পর আমাদের সমাজে তৃতীয় দিনে ‘কুলখানি’ (Kulkhani) এবং ৪০তম দিনে ‘চল্লিশা’ (Chelum/40th Day) উপলক্ষে বিশাল ভোজের আয়োজন করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসলামি শরিয়তে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ মেনে এ ধরণের আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তি কতটুকু?

কোরবানির ইতিহাস ও তাৎপর্য: ইসলাম প্রচারের পর যেভাবে প্রচলন শুরু হয়েছিল

কোরবানির ইতিহাস ও তাৎপর্য: ইসলাম প্রচারের পর যেভাবে প্রচলন শুরু হয়েছিল

কোরবান আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো নৈকট্য লাভ বা কাছে যাওয়া। ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়, নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু জবেহ করাই হলো কোরবানি (Sacrifice)। মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এই বিধান আজ থেকে শুরু হয়নি, বরং পৃথিবীর শুরু থেকেই এটি বিদ্যমান ছিল।

রিজিক বৃদ্ধির ৫টি কার্যকরী আমল

রিজিক বৃদ্ধির ৫টি কার্যকরী আমল

মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি এবং সচ্ছলতা নির্ভর করে উত্তম রিজিকের ওপর। সবাই চায় তার জীবনে প্রাচুর্য আসুক এবং অভাব দূর হোক। ইসলামে প্রাচুর্যতাকে নিষেধ করা হয়নি, বরং হালাল পথে ধনাঢ্য হওয়ার উৎসাহিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে এমন কিছু আমল রয়েছে, যা নিয়মিত করলে মহান আল্লাহ অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের (Provision/Sustenance) ব্যবস্থা করে দেন।

পানিতে ডুবে বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু: ইসলাম যা বলে, হঠাৎ বিপদ থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া

পানিতে ডুবে বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু: ইসলাম যা বলে, হঠাৎ বিপদ থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া

পৃথিবীতে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। মুহূর্তে আনন্দ ছুঁয়ে যায়, আবার পরক্ষণেই দুঃখ এসে কড়া নাড়ে দরজায়। মানুষের এই পার্থিব বসবাস চিরদিনের জন্য নয়। একদিন সব মায়া-ভালোবাসা ত্যাগ করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হবে এবং চলে যেতে হবে অনন্ত এক জীবনে।

আয়াতুল কুরসির বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ফজিলত ও আমলের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

আয়াতুল কুরসির বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ফজিলত ও আমলের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

পবিত্র কোরআন শরিফের সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটি ‘আয়াতুল কুরসি’ (Ayatul Kursi) নামে পরিচিত। এটি কেবল একটি আয়াতই নয়, বরং তৌহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদের (Oneness of Allah) এক অনন্য দলিল। এই একটি আয়াতের মধ্যেই মহান আল্লাহর গুণাবলি ও মর্যাদার এমন বর্ণনা রয়েছে, যা অন্য কোথাও পাওয়া দুষ্কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আয়াত (The most prestigious verse of Quran) হিসেবে অভিহিত করেছেন।

রমজান ও কোরআন নাজিল: পবিত্র গ্রন্থের শিক্ষা আমরা জীবনে কতটা প্রয়োগ করছি?

রমজান ও কোরআন নাজিল: পবিত্র গ্রন্থের শিক্ষা আমরা জীবনে কতটা প্রয়োগ করছি?

পবিত্র রমজান (Ramadan) মাস মূলত কোরআন নাজিলের মাস (Month of Quran revelation)। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, "রমজান মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে মানবজাতির জন্য হেদায়েতস্বরূপ" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)। এই মাস কেবল সিয়াম-সাধনার নয়, বরং আল্লাহর কালামের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—আমরা কি কোরআনকে শুধু তিলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছি, নাকি বাস্তব জীবনে এর প্রয়োগ করছি?

মাগরিবের আজান দেয়নি, শুধু ঘড়ি দেখে ইফতার করা কি ঠিক? জানুন ইসলামি শরিয়তের সঠিক বিধান

মাগরিবের আজান দেয়নি, শুধু ঘড়ি দেখে ইফতার করা কি ঠিক? জানুন ইসলামি শরিয়তের সঠিক বিধান

পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে ইফতার (Iftar timing) করা সিয়াম সাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণত আমরা মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান (Maghrib Adhan) শোনার পরই ইফতার করি। তবে কোনো কারণে যদি সময় হওয়ার পরও আজান শোনা না যায়, তবে কি আজানের অপেক্ষায় থাকা জরুরি? শরিয়ত ও ফিকহ শাস্ত্রের (Islamic Jurisprudence) আলোকে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

যাকাত কাদের দেবেন, কাদের দেবেন না? যা জানা জরুরি

যাকাত কাদের দেবেন, কাদের দেবেন না? যা জানা জরুরি

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে ঈমান ও সালাতের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো যাকাত (Zakat)। পবিত্র কোরআনে সালাত বা নামাজের পাশাপাশি বহুবার যাকাত আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাকাত কেবল দান নয়; এটি ধনীদের সম্পদকে পবিত্র করে এবং সমাজের অসহায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে। তবে যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় আমরা বিভ্রান্তিতে পড়ি—কাকে যাকাত দেওয়া যাবে আর কাকে দেওয়া যাবে না।

রমজানে যাদের রোজা-নামাজ এমনকি তওবাও কবুল হয় না

রমজানে যাদের রোজা-নামাজ এমনকি তওবাও কবুল হয় না

পবিত্র রমজান মাস (Ramadan) গুনাহ মাফ ও তাকওয়া (Taqwa) অর্জনের এক বিশেষ সুযোগ। মুমিনদের জন্য এ মাসে যেমন অফুরন্ত সওয়াবের দরজা খোলা থাকে, তেমনি মহিমান্বিত এই মাসেই পবিত্র কোরআন নাযিল (Quran Revelation) হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইসলামের প্রধান স্তম্ভ রোজা (Fasting) ও নামাজ (Salah) আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে কিছু বিশেষ পাপ ও আচরণের কারণে ৬ ধরনের ব্যক্তির ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। এমনকি এক শ্রেণির মানুষের তওবাও (Repentance) কবুল হয় না বলে হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।