যুক্তরাষ্ট্রর ডালাসে খেলতে নেমেছে আর্জেন্টিনা। আর সেই ম্যাচের উত্তেজনা কেবল মাঠেই সীমাবদ্ধ ছিলো না, তার আঁচ লেগেছিলো হাজার মাইল দূরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্যাম্পাসেও। খেলা শুরু মধ্যরাতে হলেও সন্ধ্যা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। টিএসসির সড়ক দ্বীপ থেকে শুরু করে হলের মাঠ, কিংবা ভিসি চত্বর সবখানেই ছিলো এক চিলতে ‘বুয়েনস আইরেস’র আবহ।
টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে প্রথমার্ধে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের ৯ মিনিটেই উৎসবের উপলক্ষ আসে আকাশী-সাদা শিবিরে, তবে মেসির পেনাল্টি মিসে কিছুটা হতাশ হতে দেখা যায় খেলা দেখতে আসা দর্শকদের।
আরও পড়ুন:
কিছুক্ষণ পরেই দর্শকদের আনন্দে ভাসান তাদের প্রিয় তারকা লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৩৮ মিনিটেই পান গুরুত্বপূর্ণ গোল। ডালাস থেকে ঢাকার টিএসসি কিংবা মুহসিন হল সবখানেই তখন গগণবিদারী চিৎকার। এই গোলেই মেসি যে হয়েছেন বিশ্বকাপে সব্বোর্চ গোল দাতা।
আর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহুর্তে মেসির দ্বিতীয় গোল এলে একপ্রকার নিয়ন্ত্রনহীন উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো টিএসসিতে। আর মুহসিন হলের মাঠে জায়ান্ট স্ক্রিনের সামনে থাকা শিক্ষার্থীদের উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মেসিদের গোলে এই বাঁধভাঙা উল্লাস মহসিন হলে বসে দেখেন আর্জেন্টিনা থেকে আসা প্রতিনিধিরা।
মাঠের লড়াইয়ে জয় এসেছে ডালাসে, কিন্তু তার বিজয়োল্লাস আর আবেগের সুনামি বয়ে গেলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই টিএসসি আর মহসিন হলে। ফুটবল যে কেবল একটি খেলা নয়, বরং ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে এই বাংলার তরুণদের কতটা আপন করে নিতে পারে—মধ্যরাতের এই উন্মাদনাই যেন তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


 specialises in using seismological data to track nuclear tests-320x167.webp)


