বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ হতে জমা পড়ছে একেক পর এক জীবন বৃত্তান্ত। আগে যেখানে হাই প্রোফাইলরা কোচ হতে চাইতেন না সেখানে এখন সেখানে জমা পড়ছে একের পর এক আবেদন।
বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির তথ্যমতে, জাতীয় দল, বয়সভিত্তিক দল এবং গোলরক্ষক কোচ সব মিলিয়ে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক কোচ তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন অনলাইনে।
বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিলটন বলেন, ‘আর্জেন্টিনার কোচদের আমরা প্রাধান্য দেবো। যে কোচগুলো ছোট দলগুলোকে অনুশীলন করিয়েছে, বিশ্বকাপে বা এশিয়ান কাপে নিয়ে গেছেন, তাদের আমরা প্রাধান্য দেবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শর্টলিস্ট ও স্কুটিং করার পর সেটা ন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে দেবো। সেখানে তারা বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
আরও পড়ুন:
শুধু জাতীয় দলের প্রধান কোচ নয়, বয়সভিত্তিক দলের জন্য প্রায় ১০০ এবং গোলরক্ষক কোচের জন্য প্রায় ৫০ জন আবেদন করেছেন। তবে আবেদনকারীদের মধ্যে বড় কোনো চমক আছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়।
সাঈদ হাসান কানন জানালেন তার লক্ষ্য থাকবে কোচরা বাংলাদেশি ফুটবলারদের সাথে কতোটুকু মানিয়ে নিতে পারবে সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিবেন তারা।
বাফুফে জাতীয় দল কমিটির সদস্য সাঈদ হাসান কানন বলেন, ‘কোচদের ক্যারিয়ার দেখবো, অভিজ্ঞতা দেখবো, বয়স দেখতে হবে। আমাদের দেশের ফুটবল পরিবেশ, খেলোয়াড়দের অবস্থা যারা বুঝতে পারবে, তাদেরই আমরা অগ্রাধিকার দিতে চেষ্টা করবো।’
বিশাল এই তালিকা থেকে সেরা কোচ বাছাই করতে কাজ শুরু করেছে বাফুফের নবগঠিত কমিটি। কমিটির অন্যতম সদস্য ইকবাল হোসেন জানালেন তার ভাবনায় থাকবে কোচরা দেশের ফুটবলারদের সাথে খাপ খাওয়াতে পারবে কিনা। পূর্বে কোথায় কাজ করছে তাদের পারফরম্যান্স কেমন হবে?
পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছেন সভাপতি তাবিথ আউয়াল যেখানে লক্ষ্য একটাই, জাতীয় দলের জন্য যোগ্য ও অভিজ্ঞ কোচ নিশ্চিত করা।





