পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ও সিউলের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ‘পরিকল্পিতভাবে শক্তিশালী’ করা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে প্রায় ৩০ কোটি ডলারের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রিতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনকে এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি মানেই যুদ্ধের রপ্তানি।’ তিনি আরও জানান, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে উত্তর কোরিয়া তার আত্মরক্ষামূলক প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা অব্যাহত রাখবে।
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউংয়েরও সমালোচনা করেছে পিয়ংইয়ং। সম্প্রতি ইউরোপ সফরের সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মর্যাদা এবং রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতাকে ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছিলেন লি জে মিউং।
কেসিএনএ জানিয়েছে, এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। পিয়ংইয়ং জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া প্রমাণ করেছে যে দুই কোরিয়ার মধ্যে ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান’ সম্ভব নয় এবং তারা দক্ষিণ কোরিয়াকে একটি শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা অব্যাহত রাখবে।





