অনূর্ধ্ব-২০ দলে ‘ক্লোজ ডোর’ প্রস্তুতি

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ভবন
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ভবন | ছবি: এখন টিভি
0

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে জন্য নতুন কোচের অধীনে ২৮ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করছে বাফুফে। এরই মধ্যে অনুশীলন শুরু করলেও, গণমাধ্যমকর্মীদের সুযোগ নেই প্রস্তুতির দৃশ্য ধারণ করার। সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদ বলছেন, কোচ যদি চায় ‘ক্লোজ ডোর’ করতে পারেন।

সাফ অনূর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে এরই মধ্যে ক্যাম্প শুরু করেছে বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক দলের ফুটবলাররা। নতুন কোচের অধীনে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে বেশ ঘাম ঝাড়াচ্ছেন ফুটবলাররা। তবে সেটা ক্যামেরার লেন্সে ফ্রেম বন্দী করার সুযোগ নেই সাংবাদিকদের। তাদের অবস্থান জাতীয় স্টেডিয়ামের বাইরে। কেননা অনুশীলন মাঠের দরজা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ করে রাখা হয়েছে বাফুফের নির্দেশনায়।

আরও পড়ুন:

বিশ্বের সব দেশেই ফুটবল ম্যাচের গুরুত্ব বুঝে ম্যাচের আগে ক্লোজ ডোর অনুশীলন ও খেলা মাঠে হয়। এর ফুটেজ কোনো মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়না। তবে বাফুফে যেন এসব নিয়মের বাইরে। বলছে ক্লোজ ডোর অথচ অনুশীলন শেষে নিজেদের গ্রুপে সেসব ফুটেজ বিভিন্ন মিডিয়ার জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে। বাফুফের দ্বিচারিতায় ক্ষুব্ধ ফুটবল সংশ্লিষ্টরা। বাফুফের সাবেক ফুটবলার এবং কোচ আলফাজ আহমেদের মতে দ্রুতই এর সমাধান প্রয়োজন।

সাবেক অধিনায়ক ও কোচ আলফাজ আহমেদ বলেন, ‘সারা বিশ্বেই কোনো না কোনো নিয়ম আছে। কোচ যদি চায় ক্লোজ ডোর করতে পারে। এই বিষয়টা কোচের ওপরে নির্ভর করে। আর সংবাদ মাধ্যমকে বাধা দেয়া উচিত না। আসলে সংবাদ মাধ্যমের কারণেই তো প্রচার হবে। আর প্রচার হলেই তো ফুটবলের প্রসার হবে। মিডিয়াকে অবশ্যই ফুটবল ফেডারেশনের সহযোগিতা করা উচিত।’

বিশ্বের নানান প্রান্তের খেলার খবর প্রকাশে সংবাদমাধ্যম অন্যতম। তবে দেশের মিডিয়ার সঙ্গে বাফুফের এমন আচরণের নেপথ্যে শুধুই কি ফুটবলারদের গোপনীয়তা রক্ষা নাকি অন্য কিছু। এখন এটাই ফুটবল পাড়ার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়!

জেআর