এশিয়ান কাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ই অ্যান্ড ডি লিটিস স্টেডিয়ামে অনুশীলনে ওয়ার্ম-আপ আর পাসিং ড্রিল করেছে মেয়েরা। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে একটি ২০ মিনিটের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে চূড়ান্ত রণকৌশল ঝালিয়ে নিয়েছেন আফঈদা-ঋতুপর্নারা। টুর্নামেন্টে দুই ম্যাচ হারলেও এখনো শেষ আটের দরজার সমীকরণ খোলা আছে বাংলাদেশের সামনে।
ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ঢের এগিয়ে উজবেকিস্তান। তবে ৬৩ ধাপ পিছিয়ে থাকলেও নিজের মেয়েদের নিয়ে আশাবাদী পিটার বাটলার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, সেরাটা দিতে প্রস্তুত তার দল।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের হেড কোচ পিটার বাটলার বলেন, ‘তারা কীভাবে খেলবে, তা দেখার বিষয়। তবে আমরা কীভাবে খেলব, তা আমরা জানি। আশা করি আমাদের প্রস্তুতি আমাদের ভালো অবস্থানে রাখবে। প্রতিটি দিনই শেখার দিন। আমাদের দলের গড় বয়স প্রায় সাড়ে ১৯ বছর। আমরা পরের ম্যাচে আশাবাদ নিয়ে নামব। আবার সতর্কও থাকব।’
আরও পড়ুন:
কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণ জিইয়ে রাখার প্রথম শর্ত হলো উজবেকিস্তানকে যেকোনো ব্যবধানে হারাতেই হবে বাংলাদেশকে। তবে শুধু জিতলেই হবে না, নির্ভরশীল থাকতে হবে অন্য দলের দিকেও। যদি ‘এ’ গ্রুপের ইরান বনাম ফিলিপাইন ম্যাচটি ড্র হয় এবং বাংলাদেশ জয় পায়, তবে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লেখাবে বাংলাদেশ।
অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার জানান, তার দলের হারানোর কিছু নেই। শেষ ম্যাচটি জয় দিয়ে রাঙাতে বদ্ধপরিকর লাল-সবুজের বাঘিনীরা।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফাঈদা খাতুন বলেন, ‘উজবেকিস্তান সঙ্গে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো আমাদের সেরাটা দিয়ে খেলার। আমাদের এখানে হারানোর মতো কিছু নেই। আমরা এখানে প্রথম বারের মতো কোয়ালিফাই করেছি। আমরা আমাদের দেশকে এখানে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য অনেক গর্বের বিষয়। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে।’
পার্থের রেক্টাঙ্গুলার স্টেডিয়ামে কালকের ম্যাচটি তাই হতে পারে বাংলাদেশের নারী ফুটবলের এক নতুন ইতিহাস রচনার সুযোগ।





