মিরপুরের পিচে যেন এখন অন্যরকম। স্পিনসহায়ক পিচের তকমা সরিয়ে হোম অফ ক্রিকেট হাজির নতুন পরিচয়ে। শের-ই বাংলার সেন্টার উইকেটে ঘাস ছিলো। টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতেও তাই দেরি করেননি পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ।
ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেছেন পাকিস্তানের পেসাররাও। ঘাসের উইকেটে প্রত্যাশিত গতি আর সুইং পেয়েছেন। বাংলাদেশকে জোড়া ধাক্কাও দিয়েছেন। দলীয় ১৮ রানে শাহীন আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। আরেক ওপেনার সাদমানও পারেননি ইনিংস বড় করতে। ৩১ রানের মাথায় হাসান আলীর বলে ক্যাচ দেন সালমান আঘার হাতে।
আরও পড়ুন
মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুও সেখান থেকেই। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর অভিজ্ঞ মুমিনুল হক খেলেছেন আদর্শ টেস্ট ম্যাচ। রানরেট ৪ এর বেশি।
মুমিনুল হক কিছুটা ধীরগতির হলেও শান্ত ছিলেন আগ্রাসী। পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখাও। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৫ সেঞ্চুরির রেকর্ডও করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে যা ৯ম সেঞ্চুরি। যদিও সেঞ্চুরির পরেই ফিরেছেন তিনি। ভাঙে ১৭০ রানের জুটি।
দিনের শেষ সেশনে ধৈর্যশীল ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন মুশফিকুর রহিমও। তবে আক্ষেপের নাম মুমিনুল হক। নড়বড়ে নব্বইয়ের ফাঁদে পড়ে ৯১ রানে ফিরেছেন তিনি। আর লিটন দাসকে নিয়ে দিন পার করেছেন মুশফিক।





