বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তের প্রতিবেদন এখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের হাতে। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক ছিল শুরু থেকেই। মূল অভিযোগের তীর ছিল যার দিকে সেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাড়া দেননি তদন্ত কমিটির ডাকেও।
তদন্ত কমিটির প্রধান একেএম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওনাকে ডাকা হয়েছিল ওনার কোনো বক্তব্য শোনার জন্য, উনি কিছু বলতে চান কি না, সেটা জানার জন্য। কোনো অ্যাকিউজ করার জন্য নয়। ওনাকে সময় দেয়া হয়েছিল, উনি আসেনি। ’
তবে নিজেদের প্রতিবেদনে আসিফ মাহমুদ কিংবা আর কাউকে দোষীও উল্লেখ করেনি তদন্ত কমিটি।
একেএম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেষ্টা করেছি। এতে আমরা যা পেয়েছি, সুন্দরভাবে চেষ্টা করেছি, কাউকে অভিযুক্ত না করে নিরপেক্ষভাবে যা তদন্ত করে পেয়েছি, তাই রিপোর্ট দিয়ে গেলাম।’
এদিকে তদন্ত কমিটির সংবাদ সম্মেলনের পরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা এক পোস্টে নিজের অবস্থান জানান সাবেক এ ক্রীড়া উপদেষ্টা।
তিনি অভিযোগ করেন, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে আদালত অবমাননা করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। একইসঙ্গে বোর্ড পরিচালকদের লোভ কিংবা ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হচ্ছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি।
অপর এক ফেসবুক পোস্টে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ অভিযোগ করেন, বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসির হস্তক্ষেপ এড়াতে কোনো এক ক্রিকেটার জোর লবিং করছেন। যেখানে যুক্ত আছে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, সাবেক বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নামটাও।





