ম্যাচে কুশল মেন্ডিস ৬১, পাভান রত্নানায়েকে ৬০ ও অধিনায়ক দাসুন শানাকা ৫০ রান করেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ২০ রানে হারিয়ে ছিলো লংকানরা। এদিকে দুই ম্যাচের দু’টিতেই হারলো ওমান।
পাল্লেকেলেতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ১৩ ও কামিল মিশারা ৮ রানে থামেন। এরপর তৃতীয় উইকেটে রত্নানায়েকের সাথে ৫২ বলে ৯৪ এবং চতুর্থ উইকেটে শানাকাকে নিয়ে ২৮ বলে ৬৮ রান যোগ করেন কুশল মেন্ডিস। ৭টি চারে ৪৫ বলে কুশল ৬১, ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় রত্নানায়েকে ২৮ বলে ৬০ এবং ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ২০ বলে ৫০ রান করেন শানাকা।
আরও পড়ুন:
শেষ দিকে কামিন্দু মেন্ডিসের ৭ বলে অনবদ্য ১৯ রানে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান লংকানদের। সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ডের মালিক শ্রীলঙ্কা। ২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার বিপক্ষে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৬০ রান করেছিলো তারা।
শ্রীলঙ্কার দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৭৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যায় ওমান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২০ রান করে ম্যাচ হারে ওমান। ওমানের সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন মোহাম্মদ নাদিম।
শ্রীলঙ্কার দুসমন্থ চামিরা ও মহেশ থিকশানা ২টি করে উইকেট নেন। ২৮ বলে ৬০ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হন রত্নানায়েকে।





