ক্রিকেটারদের কল্যাণে কোয়াবের কার্যকারিতা; নামের ভার নাকি কাজের যৌক্তিকতা?

কোয়াবের লোগো
কোয়াবের লোগো | ছবি: সংগৃহীত
0

ক্রিকেটারদের কল্যাণে গঠন করা হলেও, বিপদে তাদের পাশে দাঁড়ানোর খুব বেশি নজির নেই কোয়াবের। আবার জাতীয় দল ও এর আশপাশের ক্রিকেটারদের বাইরে অন্যদের খোঁজও রাখে না সংগঠনটি। নামের ভারে ভারী হয়ে থাকা কোয়াব আসলেই কতটা ক্রিকেটারবান্ধব তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

বিপিএলের খেলা বন্ধ করে সংবাদ সম্মেলন। তামিম ইকবালের ইস্যুতে সরগরম কোয়াব। সংবাদ সম্মেলনে হাসিমুখে মেহেদি হাসান মিরাজের বক্তব্য।

এক রাতের ব্যবধানেই সমর্থকদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়লো ক্রিকেটারদের। মাঠে মিরাজ-মিথুনরা শুনলেন দুয়োধ্বনি। সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক ট্রল। নতুনভাবে শুরু করতে চেয়ে কোয়াব যেন ভাসছে দুর্বিপাকের চক্রে।

সংগঠনের কার্যক্রম যেন সীমাবদ্ধ কেবল ওপরের সারির ক্রিকেটারদের জন্যই। ঢাকার বিদ্রোহী ক্লাবের অংশ প্রায় ৯ শতাধিক ক্রিকেটারদের অধিকারের প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিল কোয়াব, যা নিয়ে প্রশ্ন আছে বঞ্চিত ক্রিকেটারদের।

আরও পড়ুন:

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার আসাদুজ্জামান প্রিন্স বলেন, ‘আল্টিমেটলি এগুলো হচ্ছে সফ্ট কর্নার দেখানো বা কোনোরকমে দুপক্ষকে ম্যানেজ করে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। তো আমার মনে হয় না যে, কোয়াব ওরকম ডমিনেট করার মতো কিছু করতে পারছে বা এখন পর্যন্ত সব ক্রিকেটারদের জন্য যে কথাটা বলা, সে হিসেবে আমার মনে হয় না জায়গাটা নিতে পেরেছে।’

অবশ্য কোয়াবের চোখ এড়িয়ে গেছে আরও অনেক কিছুই। মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়ার পরও সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি সংগঠনটিকে। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরকে বঞ্চিত করার পরও কোয়াব থেকেছে নীরব দর্শকের ভূমিকায়।

অবশ্য নানা ইস্যুতে নিশ্চুপ থাকা কিংবা দর্শকদের সঙ্গে দূরত্বের প্রশ্নে কোয়াবের কার্যনির্বাহী সদস্য রুমানা আহমেদ দায় দিচ্ছেন সমর্থকদের ওপরেই।

রুমানা আহমেদ বলেন, ‘দেশের জনগণও ইদানিং কোনো ছোট ইস্যুও পেলেও সবাই ক্ষেপনাস্ত্রের মতো চিল্লাপাল্লা শুরু করে দেয়। কী হচ্ছে না হচ্ছে তা সঠিকভাবে শোনার বা জানার কোনো প্রবণতা নেই।’

সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মিথুন অবশ্য মুঠোফোনে জানিয়েছেন, সব দূরত্ব কমিয়ে আনার জন্য কাজ করার পরিকল্পনা আছে কোয়াবের বর্তমান কমিটির।

এসএইচ