পানিতে ডুবে বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু: ইসলাম যা বলে, হঠাৎ বিপদ থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া

পানিতে ডুবে মারা গেলে কি শহীদ হয়
পানিতে ডুবে মারা গেলে কি শহীদ হয় | ছবি: এখন টিভি
0

পৃথিবীতে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। মুহূর্তে আনন্দ ছুঁয়ে যায়, আবার পরক্ষণেই দুঃখ এসে কড়া নাড়ে দরজায়। মানুষের এই পার্থিব বসবাস চিরদিনের জন্য নয়। একদিন সব মায়া-ভালোবাসা ত্যাগ করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হবে এবং চলে যেতে হবে অনন্ত এক জীবনে।

একনজরে ইসলামে শহীদের প্রকারভেদ ও মর্যাদা (Types of Martyrs in Islam)

মৃত্যুর ধরন (Type of Death) ইসলামিক মর্যাদা (Islamic Status)
১. পানিতে ডুবে মৃত্যু (Drowning) শহীদের মর্যাদা (Status of Martyr)
২. আগুনে পুড়ে মৃত্যু (Fire Accident) শহীদের মর্যাদা (Status of Martyr)
৩. মহামারিতে মৃত্যু (Epidemic/Plague) শহীদের মর্যাদা (Status of Martyr)
৪. চাপা পড়ে মৃত্যু (Crushed under rubble) শহীদের মর্যাদা (Status of Martyr)
৫. প্রসবকালে নারীর মৃত্যু (Death during childbirth) শহীদের মর্যাদা (Status of Martyr)

আরও পড়ুন:

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘জীব মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে; আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা বিশেষভাবে পরীক্ষা করে থাকি। আর আমারই নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত ৩৫)। অন্য আয়াতে আল্লাহ আরও বলেন, ‘তোমরা যেখানেই থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই; যদিও তোমরা সুউচ্চ সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর।’ (সুরা নিসা, আয়াত ৭৮)।

কোরআনের বর্ণনা ও জীবনের বাস্তবতায় মৃত্যুকে অস্বীকারের সাধ্য কারো নেই। সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা পানিতে ডুবে মৃত্যুর খবরগুলো সবাইকে বেদনাহত করে। অনেক সময় দুর্ঘটনায় মৃত প্রিয়জনের লাশটুকু দেখার সুযোগও স্বজনরা পান না, যার কষ্ট কেবল তারাই অনুভব করতে পারেন।

হঠাৎ মৃত্যু থেকে বাঁচতে নবীজির (সা.) শেখানো দোয়া

মুমিন মুসলমানের জন্য মৃত্যু সবসময় স্বস্তিকর হলেও, প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ (সা.) হঠাৎ বা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু থেকে মুক্তি চেয়ে দোয়া করেছেন এবং উম্মতকেও তা শিখিয়েছেন।

দোয়াটি হলো: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাদমি ওয়া আউজুবিকা মিনাত তারাদ্দি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল গারাকি ওয়াল হারকি ওয়াল হারামি ওয়া আউজুবিকা আঁইয়াতাখব্বাতানিশ শাইতনু ইংদাল মাওতি ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদবিরান ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা লাদি-গান’।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাপা পড়ে মৃত্যুবরণ থেকে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই গহ্বরে পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে, আমি আপনার কাছ থেকে আশ্রয় চাই পানিতে ডুবে (Death by drowning) ও আগুনে পুড়ে (Death by fire) মৃত্যুবরণ থেকে এবং অতি বার্ধক্য থেকে। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই মৃত্যুকালে শয়তানের প্রভাব থেকে, আমি আশ্রয় চাই আপনার পথে জিহাদ থেকে পলায়নপর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে মৃত্যুবরণ থেকে’। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫৫২; নাসায়ি, হাদিস : ৫৫৪৬)

আরও পড়ুন:

মৃত্যুর সময় নির্ধারিত (Fixed time of death)

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: وَلِكُلِّ أُمَّةٍ أَجَلٌ ۖ فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ لَا يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً ۖ وَلَا يَسْتَقْدِمُونَ

উচ্চারণ: ‘ওয়া লিকুল্লি উম্মাতিন আজালুন ফাইযা-জাআ আজালুহুম লা-ইয়াসতা’খিরূনা সা‘আতাওঁ ওয়ালা-ইয়াসতাকদিমূন’।

অর্থ: ‘প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে’। (সূরা আরাফ, আয়াত ৩৪)

পানিতে ডুবে বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু কি শহীদি মর্যাদা?

দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বেদনাদায়ক হলেও নবীজি (সা.) এমন মৃত্যুকে ‘শহীদের মৃত্যু’ (Martyrdom) বলে ঘোষণা করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, পানিতে ডুবে, কলেরায়, প্লেগে ও ভূমিধসে বা চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তিরা শহিদ। (বুখারি ৭২০)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার সাহাবীদের প্রশ্ন করলেন, তোমরা তোমাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তিকে শহিদ বলে গণ্য কর? তারা বললেন, যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়। তখন তিনি বললেন, তাহলে তো আমার উম্মতের মধ্যে শহিদ খুবই অল্প হবে। বরং যে আল্লাহর পথে নিহত হয় সে শহিদ, যে আল্লাহর পথে মারা যায় সে শহিদ, যে প্লেগ রোগে মারা যায় সে শহিদ, যে পেটের রোগে প্রাণ হারায় সে শহিদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহিদ। (রিয়াদুস সালেহিন ১৩৬২)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত বুখারি শরিফের অন্য এক হাদিসে (২৮২৯) শহীদ ৫ প্রকার বলা হয়েছে:

  • ১. প্লেগ বা মহামারিতে মৃত্যুবরণকারী (Death by plague)।
  • ২. পেটের পীড়ায় মৃত্যুবরণকারী (Death by stomach disease)।
  • ৩. পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী (Drowned person)।
  • ৪. কোনো কিছুর নিচে চাপা পড়ে বা কূপে পড়ে মৃত্যুবরণকারী।
  • ৫. আল্লাহর রাস্তায় শহীদ (Martyr in the way of Allah)।

আরও পড়ুন:

শহীদের বিশেষ মর্যাদা ও সওয়াব

শহিদদের বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর আল্লাহর পথে যারা নিহত হয় তাদেরকে মৃত বলো না, বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা উপলব্ধি করতে পার না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত ১৫৪)। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, আল্লাহর রাস্তায় নিহত ব্যক্তি ছাড়াও অগ্নিকাণ্ড, পানিতে ডুবে এবং প্রসবকালীন গর্ভাবস্থায় মৃত্যুবরণকারী নারীরাও শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন। (আবু দাউদ: ৩১১১)।

হজরত ইরবাদ ইবনে সারিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন মহামারিতে মৃত্যুবরণকারীদের আঘাতের দিকে তাকাবেন। যদি তাদের আঘাত শহীদের আঘাতের মতো হয়, তবে তাদের শহীদের মর্যাদা দেওয়া হবে। (মুসনাদ আহমদ, নাসায়ি, মিশকাত : হাদিস ১৫৯৬)।

মৃত্যুর সময় ও মানুষের হাত (Fixed time of death)

ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রত্যেক মানুষের মৃত্যুর একটি নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদ রয়েছে। সুরা আরাফের ৩৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ সুতরাং মৃত্যু যেভাবেই আসুক না কেন, তা আল্লাহর হুকুমেই ঘটে।

যাদের লাশ শেষ মুহূর্তে স্বজনরা দেখতে পারেন না বা যারা পানিতে তলিয়ে যান, তাদের বিদায়ে শোকাহত না হয়ে নবীজির সুসংবাদের দিকে তাকালে হৃদয়ে প্রশান্তি আসে। কারণ, তারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেও আখেরাতে সর্বোচ্চ সম্মানিত ‘শহীদ’ হিসেবে গণ্য হবেন।

আরও পড়ুন:

দুর্ঘটনা ও শহীদী মৃত্যু নিয়ে বিশেষ প্রশ্নোত্তর (Top FAQ on Accidental Death & Martyrdom)

প্রশ্ন: পানিতে ডুবে মারা গেলে কি সরাসরি জান্নাতে যাওয়া যায়? (Does a drowning victim go directly to Heaven?)

উত্তর: ইসলাম অনুযায়ী, পানিতে ডুবে মারা যাওয়া ব্যক্তি 'হাকিকি' বা প্রকৃত শহীদ না হলেও 'হুকমি' শহীদের মর্যাদা পান। আল্লাহ চাইলে তাকে শহীদের সওয়াব দিয়ে জান্নাত নসিব করবেন, তবে তাকে অবশ্যই ঈমানদার হতে হবে।

প্রশ্ন: সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কি শহীদী মৃত্যু হিসেবে গণ্য হবে? (Is road accident death considered martyrdom?)

উত্তর: হ্যাঁ, বড় কোনো কিছুর নিচে চাপা পড়ে (Crushed under rubble/vehicle) মৃত্যুবরণকারীকে নবীজি (সা.) শহীদের মর্যাদা দিয়েছেন। সেই হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যুও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

প্রশ্ন: হঠাৎ মৃত্যু থেকে বাঁচার নির্দিষ্ট দোয়াটি কী? (What is the specific dua for sudden death?)

উত্তর: নবীজি (সা.) যে দোয়াটি শিখিয়েছেন তা হলো— ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাদমি ওয়া আউজুবিকা মিনাত তারাদ্দি...’ (পুরো দোয়াটি উপরে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে)। এটি নিয়মিত পাঠ করলে অপমৃত্যু থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

প্রশ্ন: পানিতে ডুবে মারা গেলে কি জানাজা পড়তে হয়? (Is Janaza prayer required for a drowning victim?)

উত্তর: হ্যাঁ, যারা হুকমি শহীদ (যেমন: পানিতে ডুবে বা রোগে মৃত্যু), তাদের গোসল, কাফন এবং জানাজা—সবই সাধারণ মৃত ব্যক্তির মতো সম্পন্ন করতে হয়। কেবল যারা যুদ্ধের ময়দানে শহীদ হন, তাদের জানাজা ও গোসল নিয়ে ভিন্ন বিধান রয়েছে।

প্রশ্ন: অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে মারা গেলে ইসলামের বিধান কী? (What is Islam's view on death by fire?)

উত্তর: রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি (Burnt to death) শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন। এটি অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হওয়ায় আল্লাহ তাকে এই বিশেষ সম্মান দেন।

প্রশ্ন: গর্ভাবস্থায় বা সন্তান প্রসবকালে মারা গেলে কি শহীদ হয়? (Is death during pregnancy or childbirth martyrdom?)

উত্তর: হ্যাঁ, হাদিস অনুযায়ী যে নারী গর্ভাবস্থায় বা সন্তান প্রসবের কারণে মৃত্যুবরণ করেন, তিনি পরকালে শহীদের মর্যাদা পাবেন।

প্রশ্ন: বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে মৃত্যু কি শহীদ? (Is death by poisonous animal bite martyrdom?)

উত্তর: হ্যাঁ, নবীজি (সা.) তার দোয়ায় বিষাক্ত প্রাণীর দংশন (Poisonous sting/bite) থেকে আশ্রয় চেয়েছেন এবং অন্য বর্ণনায় একেও শাহাদাতের কাতারে শামিল করা হয়েছে।

প্রশ্ন: প্লেগ বা মহামারিতে মৃত্যু কি বর্তমানের করোনা বা ক্যান্সারের মতো রোগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য? (Does martyrdom apply to modern epidemics like COVID or Cancer?)

উত্তর: অধিকাংশ আলেমের মতে, প্লেগ বা মহামারি (Epidemic/Pandemic) বলতে সংক্রামক ব্যাধি বোঝানো হয়েছে। সেই হিসেবে করোনা বা ক্যান্সারের মতো কঠিন মরণব্যাধিতে ধৈর্য ধারণ করে মৃত্যুবরণকারীও শহীদের সওয়াব পাবেন।

প্রশ্ন: আত্মহত্যাকারী কি শহীদের মর্যাদা পেতে পারে? (Can a person committing suicide get martyr status?)

উত্তর: না, আত্মহত্যা ইসলামে কবিরা গুনাহ। নিজের জীবন নিজে শেষ করে দিলে কোনোভাবেই শহীদের মর্যাদা পাওয়া সম্ভব নয়, বরং এর জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা রয়েছে।

প্রশ্ন: পাপী ব্যক্তি যদি পানিতে ডুবে মরে তবে কি সে শহীদ হবে? (Will a sinner become a martyr if he drowns?)

উত্তর: একজন মুমিন ব্যক্তি পাপী হলেও যদি দুর্ঘটনায় মারা যান, তবে আল্লাহ তার করুণায় তাকে শাহাদাতের সওয়াব দিতে পারেন। তবে কবীরা গুনাহর জন্য তওবা না থাকলে আল্লাহর বিচার ভিন্ন হতে পারে।

প্রশ্ন: নিখোঁজ বা সলিল সমাধি হওয়া ব্যক্তির লাশ না পাওয়া গেলে জানাজা কীভাবে হবে? (How to perform Janaza if the body is missing?)

উত্তর: যদি লাশ পাওয়া যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকে, তবে তাকে মৃত ধরে নিয়ে ‘গায়েবানা জানাজা’ (Funeral in absentia) পড়া যেতে পারে।

প্রশ্ন: শহীদের মর্যাদা পেলে কি কবরের আজাব মাফ হয়? (Is grave punishment forgiven for a martyr?)

উত্তর: হ্যাঁ, সহিহ হাদিস অনুযায়ী শহীদের মর্যাদা প্রাপ্ত ব্যক্তির কবরের আজাব ও কেয়ামতের ভয়াবহতা থেকে আল্লাহ নিরাপত্তা দান করেন।

প্রশ্ন: ছোট শিশু পানিতে ডুবে মারা গেলে তার মর্যাদা কী? (What is the status of a child who drowns?)

উত্তর: ছোট শিশুরা নিষ্পাপ। তারা যেভাবেই মারা যাক না কেন, তারা সরাসরি জান্নাতি এবং পরকালে তাদের বাবা-মায়ের জন্য সুপারিশকারী হবে।

প্রশ্ন: শহীদ ও সাধারণ মৃত ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য কী? (Difference between a martyr and a normal deceased?)

উত্তর: সাধারণ মৃত ব্যক্তি কেবল তার আমলের সওয়াব পান, কিন্তু শহীদ ব্যক্তি মৃত্যুর পরও এক বিশেষ ধরনের জীবন লাভ করেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রিজিক ও সম্মান পান।

প্রশ্ন: হঠাৎ মৃত্যুর দোয়া কখন পড়তে হয়? (When to recite the dua for accidental death?)

উত্তর: এই দোয়াটি সকাল-সন্ধ্যা বা প্রতিদিনের নিয়মিত জিকিরের সাথে পড়া উত্তম। বিশেষ করে সফরের সময় বা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এটি পাঠ করা নিরাপত্তার জন্য কার্যকর।

এসআর