সমাবেশে আখতার হোসেন বলেন, ‘দারিদ্র্যের কারণে শ্রমিকের সন্তানেরা লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে বংশানুক্রমিকভাবে শ্রমের ঘানি টানতে বাধ্য হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘সমাজে এখনও মুচি ও মেথরদের ভিন্ন চোখে দেখা হয়। সাধারণ মানুষ যে প্লেটে খায়, তাদের সেখানে খেতে না দিয়ে পলিথিনে বা পাতায় খাবার দেয়া হয়, যা চরম মর্যাদাহীনতা।’ চব্বিশের রক্তস্নাত আন্দোলনে বৈষম্যহীনতার যে আওয়াজ তোলা হয়েছিলো, তার ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও সমাজের এই কাঠামোগত বিভাজন দূর করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
এসময় কর্মক্ষেত্রে মালিকেরা তুচ্ছার্থে শ্রমিকদের ‘তুই’ বলে সম্বোধন করেন, যা একেবারেই অনুচিত বলেও মন্তব্য করেছেন আখতার হোসেন। শ্রমিকদের সম্মানের সঙ্গে ডাকতে এবং সব ক্ষেত্রে তাদের মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান মাসউদ প্রতিটি পেশার জন্য ন্যূনতম মজুরি ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নির্ধারণের দাবি জানান। পাশাপাশি জেলে বা কৃষকদের হাড়ভাঙা খাটুনির ফসল যেন রাজনীতিবিদ বা মাফিয়ারা জোর করে কম দামে কেড়ে নিতে না পারে, সেই নিশ্চয়তা চাওয়া হয়।





