সারজিস আলম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতে বসে সিদ্ধান্ত নেবে ওই দিন এখন আর নাই। দেশের বাইরে বসে অন্য কোনো দেশ বা এজেন্ট বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে সেই দিন আর নাই। এ বিপ্লবী প্রজন্ম ঘুমিয়ে নেই। প্রয়োজন হলেই তারা মাঠে নামবে। বাইরে থেকে এমন অনেক কিছু বলা যায়। সাহস থাকলে বাংলাদেশে এদেশে আসুক। দেশের মানুষ তাদের দেখিয়ে দেবে তাদের কি অবস্থান।’
তিনি বলেন, ‘প্রশাসন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি জায়গায় রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার অপব্যবহার যদি আমরা বন্ধ করতে পারি এবং প্রত্যেক জায়গায় জনগণের সঙ্গে ইনসাফ করতে পারি তাহলে আমরা এ বাংলাদেশকে মুক্ত করতে পারবো ইনশা আল্লাহ।’
এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া এ কারণে, আমরা যে ১১টি দল অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে জুলুম করেনি, চাঁদাবাজি করেনি, মানুষকে মিথ্যে মামলা দেয়নি। হয়তো উপকার করার চেষ্টা করেছে কিন্তু ক্ষতি করেনি। এ জায়গা থেকে মানুষ আশান্বিত হচ্ছে। তারা বলছে ভোটের দিন ব্যালটের বিপ্লব দেখতে পাবেন এবং তারা সব জুলুমের উত্তর এবার ব্যালটের মাধ্যমে দেবে। আমরা যদি স্বচ্ছ ভোট নিশ্চিত করতে পারি, ইনশা আল্লাহ শুধু পঞ্চগড়-১ আসন নয়, সারা বাংলাদেশে ১১ দল ঐক্যবদ্ধভাবে এবার সরকার গঠন করবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী যদি বলে থাকে প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করছে তাহলে তারা নিজের দোষ ঢাকার জন্য মিথ্যে ব্লেম দিচ্ছে। তারা কোনো নিয়ম মানছে না, প্রশাসনকে তোয়াক্কা করছে না। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা যদি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আপনাদের ওই গার্ডস দেখাইতে না পারেন, নিয়মনীতি না মানাইতে পারেন তাহলে আপনারা দায়িত্ব ছেড়ে দিন। আমরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে চাই এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমরা দেখছি বিএনপি স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা মানুষকে হুমকি দিচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। তারা এ আচরণ করতে পারে, তারা এরই মধ্যে স্বৈরাচারের আচরণ প্রকাশ করা শুরু করেছে। আমরা বলতে চাই যতদ্রুত যাদের পাখনা গজায় তত দ্রুত তাদের পাখনা ভেঙে যায়। আমরা আহ্বান করবো সবাই মিলে মানুষের কাছে যাই, মানুষের কাছে ভোট চাই, মানুষ সিদ্ধান্ত নিবে কাকে ভোট দেবে। আপনারা এ কাজগুলো করলে ভোট বাড়বে না, কমবে। মানুষ এবার ইনসাফের পক্ষে থাকবে। জুলুমের বিরুদ্ধে থাকবে।’





