তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা এ দুই উপজেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রায় রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। এখানে যেমন পাহাড় ও সমতল রয়েছে, তেমনি রয়েছে হাওরাঞ্চল। তবে বিগত সময়ে এ অঞ্চলের গারো হাজং থেকে শুরু করে বাঙালি অধিকারের প্রশ্নে নানা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নাগরিক সেবা পেতেও পোহাতে হয়েছে চরম দুর্ভোগ।’
তিনি বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে এ অঞ্চলের মানুষের অধিকার সমানুপাতে প্রতিষ্ঠিতা করা হবে। ধনী-দরিদ্র কিংবা জাতিগত ভেদাভেদ নয়, সবাইকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হবে। সবাই যেন ন্যায্য অধিকার পায় এবং সমান নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।’
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমি কথা দিচ্ছি, বিজয়ী হলে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। হিন্দু, মুসলিম, গারো, হাজং—সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করবো ইনশাআল্লাহ।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমি নেতা নই। আমি আপনাদের ভাই ও সন্তান হিসেবে পাশে থাকার চেষ্টা করবো। দুর্গাপুর-কলমাকান্দা আমার নির্বাচনি এলাকা আমার একটি ফুলের বাগান। আমি সেই বাগানের মালি হয়ে পরিচর্যার মাধ্যমে একে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাল্লাহ।’
মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ ঘোষণা করব। দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে মাদকমুক্ত করার পাশাপাশি ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তারা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না। তাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাকে সুযোগ দেবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।’
এর আগে সকাল থেকে দুর্গাপুর উপজেলার কুলাগড়া ইউনিয়নের বিপিনগঞ্জ, রাশিমনী, কাকড়াকান্দাসহ সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাগুলোতে প্রচারণা চালান নেত্রকোণা-১ আসনের এ হেভিওয়েট প্রার্থী। এ সময় তিনি সীমান্ত এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচিত হলে তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।





