আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। এরপর তার মরদেহ দেশে আনা হয় এবং বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছোট ভাই, ক্রীড়া সংগঠক কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলীয় ও পারিবারিকভাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে রাজধানীর বনানীতে আজ তার কবর জিয়ারত করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নেতৃবৃন্দ বনানীতে কোকোর কবর জিয়ারত, দোয়া ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার আমলে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের কারণে আরাফাত রহমান কোকো মারা যান।’
আরও পড়ুন:
কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি নেয়েছে বিএনপি। আজ সকাল থেকে বনানী কবরস্থানে কুরআন খতম এবং রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া আয়োজন করা হয়েছে।
এক-এগারোর সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসা থেকে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশে থাইল্যান্ড যান তিনি। সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়া, বড়ভাই তারেক রহমানকে ছেড়ে সেখানেই থাকতে হয় কোকোকে।
আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়া জাতীয় মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর দু-দিন পর তার মরদেহ দেশে আনা হয়। ২৭ জানুয়ারি ঢাকায় লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জানাজার পর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। আরাফাত রহমান কোকো স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।





