ধর্ম
দেশে এখন

'৩০ হাজার হজযাত্রীর ভিসা না হলেও জটিলতা নেই'

চলতি বছরের হজযাত্রার প্রথমদিনের ৭ ফ্লাইটের আড়াই হাজারের বেশি হজযাত্রী যাচ্ছেন সৌদি আরবে। এবার ইমিগ্রেশনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় খুশি হজযাত্রীরা। তবে খরচ কমলে কোটার পুরো যাত্রীই যেত বলে মনে করেন অনেকে। এদিকে ৩০ হাজার যাত্রীর ভিসা এখনো পর্যন্ত না হলেও জটিলতার কোন শঙ্কা নেই বলে জানান ধর্মমন্ত্রী।

হজযাত্রার প্রথমদিনে বিমান বাংলাদেশসহ ৩ এয়ারলাইন্সের ৭টি ফ্লাইটে আড়াই হাজারের বেশি যাত্রী যাচ্ছেন সৌদি আরবে।

প্রথম যাত্রার অনেকেই ক্যাম্পে এসেছেন গতকাল (বুধবার, ৮ মে)। জানালেন, এখন অব্দি ভালো সেবাই পেয়েছেন। ব্যবস্থাপনাতেও খুশি তারা।

একজন হজযাত্রী বলেন, 'সবকিছুর সার্বিক ব্যবস্থা আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো। আমরা অত্যন্ত খুশি। আমরা গতকাল আসছি। তাদের কাছে সবকিছুই ভালো পেয়েছি।'

এবার হজের জন্য নিবন্ধন করেছেন ৮৫ হাজার যাত্রী। গেলবারের তুলনায় সংখ্যাটি ৩৮ হাজার কম। হজের প্যাকেজের উচ্চমূল্যই এর কারণ বলছেন যাত্রীরা। খরচ কমলে যাত্রী বাড়তো বলে দাবি তাদের।

একজন যাত্রী বলেন, 'অনেক দেশে খরচ কম আছে। আমাদের দেশে বেশি। এই খরচ যদি কম হয় তাহলে অনেকেই হজ করার জন্য উৎসাহিত হবে।'

হজযাত্রা শুরু হলেও ভিসা জটিলতা নিয়ে শঙ্কায় অনেকে। এখনও ত্রিশ হাজার যাত্রীর ভিসা বাকি রয়েছে। যদিও সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বাকি সময়ে সবার ভিসা হয়ে আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাব সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, 'কিছু কারণে ভিসা প্রাপ্তিতে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু আমরা তার সমাধান করেছি। এখন আর কোনো সমস্যা নেই।'

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, 'ভিসা নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। মাত্র দেড় দিনে আমরা প্রায় সবমিলে ৪৫ হাজার ভিসা পেয়েছি। হাতে এখনও অনেক সময় আছে। এর মধ্যে সব সমাধান হয়ে যাবে।'

প্রথম দিনের প্রথম ফ্লাইটে সৌদিয়া এয়ারলাইনসের হজযাত্রী ছিলেন ৪১৩ জন। পরে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটে জেদ্দায় উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন ৪১৫ জন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৬ই জুন পবিত্র হজ। ১০ জুন পর্যন্ত চলবে হজযাত্রী পরিবহন করবে বিমান। ২০ জুন থেকে ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন হাজিরা।

এমএসআরএস

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর