সকালে রাজধানীর বাসাবো বাগানবাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র দেখা যায়, মূল ফটক খোলার আগেই সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভোটাররা। প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণদের উপস্থিতি নজর কাড়ার মতো।
ভোটারদের দাবি, উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। তারা বলছেন, অন্য যেকোনোবারের তুলনায় এবারের ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে হচ্ছে।
মাদারটেক এলাকার একজন ভোটার বলেন, ‘গত তিনবার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত, এজন্য এবার ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে ছুটে এসেছি। এখান থেকে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভোট দিতে পাঠাবো।’
আরও পড়ুন:
একজন তরুণ ভোটার বলেন, ‘ভোটার হয়েছি আগেই। কিন্তু গত দুইবার ভোট দেয়ার সুযোগ পাইনি। সেজন্য এবার সকালেই ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য চলে এসেছি।’
এবার প্রতিটি ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেয়া হচ্ছে। একটিতে তারা ২৯৯টি আসনের বিপরীতে ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে নিজেদের সংসদ সদস্য নির্বাচন করছেন। আর অন্যটিতে ‘রাষ্ট্র সংস্কার সংক্রান্ত সাংবিধানিক গণভোট’-এ নিজেদের মতামত দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। ঝুঁকি বিবেচনায় ২১ হাজার ৫০৬টি কেন্দ্রে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। নজিরবিহীনভাবে এবার মাঠে রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য, যাদের দেয়া হয়েছে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা। এছাড়া পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের টহল দলগুলো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের চারপাশ ঘিরে এক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।





