অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ইফতার ও দোয়া মাহফিল উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রফিকুল কবীর লাবু, সদস্য সচিব ডা. মো. খায়রুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ ১৫ বছর পর বিএনপিকে ভোট দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।’
এজন্য তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমান এবং ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
আরও পড়ুন:
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফলেই জনগণ বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ দিয়েছে। অন্যায় ও নির্যাতনের শিকার এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকলকে আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ— এই মূলমন্ত্র ধারণ করে চিকিৎসা, শিক্ষা, হাসপাতাল সেবা এবং দরিদ্র মানুষের কল্যাণে আরও মনোযোগী হতে হবে। বিএনপির অতীত ঐতিহ্য বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণে উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।’
দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘অধিকাংশ হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।’
চিকিৎসকদের রোগীর প্রতি সেবামূলক মনোভাব আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
সাখাওয়াত হোসেন বলেন বলেন, ‘দেশে জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম হলেও বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে সেবার মান উন্নয়নের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।




