আরও পড়ুন:
কেন একটি কেন্দ্রকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলা হয়?, কেন্দ্রে ঝুঁকি নির্ধারণের মানদণ্ড (Criteria for Identifying Risky Centers)
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রধানত ৪টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ (Highly Important/Risky) হিসেবে চিহ্নিত করে:
১. অতীতের ইতিহাস (History of Violence): যেসব কেন্দ্রে অতীতে সহিংসতা, ভাঙচুর বা ব্যালট ছিনতাই (Ballot Hijacking) হয়েছে, সেগুলো তালিকার শীর্ষে থাকে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান (Geographical Location): দুর্গম চরাঞ্চল, সীমান্তবর্তী এলাকা বা পাহাড়ী অঞ্চলের কেন্দ্রগুলোকেও ঝুঁকি বিবেচনায় রাখা হয়।
৩. প্রার্থীর প্রভাব (Influence of Candidates): কোনো প্রভাবশালী নেতার বাড়ির কাছে কেন্দ্র থাকলে বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করলে সেই কেন্দ্রটি বিশেষ নজরদারিতে থাকে।
৪. যোগাযোগ ও অবকাঠামো (Communication and Infrastructure): সীমানাপ্রাচীরহীন দুর্বল অবকাঠামো এবং যেসব কেন্দ্রে দ্রুত অতিরিক্ত ফোর্স (Reinforcement) পৌঁছানো কঠিন, সেগুলোকেও ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।
আরও পড়ুন:
ঢাকা মহানগরীর উদ্বেগজনক চিত্র (Status of Dhaka City Centers)
পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মোট ২,১৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১,৬১৪টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থাৎ রাজধানীর প্রায় ৭৫ শতাংশ কেন্দ্রই নিরাপত্তা নজরদারির (Security Surveillance) আওতায় থাকছে।
আরও পড়ুন:
আসনভিত্তিক পরিসংখ্যান (Seat-wise Statistics)
ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি রয়েছে ঢাকা-১৮ আসনে (Dhaka-18 Constituency)। এছাড়া ঢাকা-৪, ৫ এবং ঢাকা-১১ আসনেও বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
নিরাপত্তা প্রস্তুতি (Security Measures)
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এই কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী (Law Enforcement Agencies) মোতায়েনের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা (CCTV Camera) স্থাপন করা হয়েছে। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
আরও পড়ুন:





