Recent event

ভোটের দিন যে ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, জেনে নিন ইসির জরুরি নির্দেশনা

ভোটের দিন যানবাহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন যানবাহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞা | ছবি: এখন টিভি
0

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (13th National Parliament Election) ও গণভোট। এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা (Restrictions) আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (EC)। বিশেষ করে নির্বাচনের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

নিষিদ্ধ যানবাহন ও সময়সীমা
যানবাহনের নাম নিষেধাজ্ঞার সময় ব্যতিক্রম (ছাড়)
মোটরসাইকেল মঙ্গলবার রাত ১২টা - শুক্রবার রাত ১২টা ইসি স্টিকারযুক্ত ও জরুরি সেবা
ট্যাক্সিক্যাব বুধবার রাত ১২টা - বৃহস্পতিবার রাত ১২টা বিমানবন্দর ও জরুরি রোগী
মাইক্রোবাস বুধবার রাত ১২টা - বৃহস্পতিবার রাত ১২টা অনুমতিপ্রাপ্ত নির্বাচনী এজেন্ট
পিকআপ ও ট্রাক বুধবার রাত ১২টা - বৃহস্পতিবার রাত ১২টা সংবাদপত্র ও ওষুধ পরিবহন
মেট্রোরেল চলবে (স্বাভাবিক) যাত্রী সুবিধায় ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি

আরও পড়ুন:

মোটরসাইকেল চলাচলে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা (72-hour Motorcycle Ban)

নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আজ (মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল (Motorcycle) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।

অন্যান্য যানবাহন চলাচলের সময়সূচি (Schedule for Other Vehicles)

আগামী বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে নিম্নলিখিত ৪ ধরনের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে:

  1. ট্যাক্সিক্যাব (Taxi Cab)
  2. পিকআপ (Pick-up)
  3. মাইক্রোবাস (Microbus)
  4. ট্রাক (Truck)
  5. মোটরসাইকেল

যানবাহন চলাচল নিষেধ |ছবি: এখন টিভি

আরও পড়ুন:

নিষেধাজ্ঞার বাইরে যারা থাকবেন (Exemptions)

জরুরি প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ শিথিল (Relaxation of restrictions) থাকবে। সেগুলো হলো:

জরুরি সেবা (Emergency Services): অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

বিমানবন্দর যাত্রী (Airport Passengers): বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও বিমান টিকিট (Air Ticket) প্রদর্শন সাপেক্ষে যানবাহন চলাচলে কোনো বাধা নেই।

নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত (Election Duty): আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক (Observers) এবং ইসির স্টিকারযুক্ত যানবাহন।

টেলিযোগাযোগ সেবা (Telecommunication Services): বিটিআরসি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবা হিসেবে গণ্য হবে।

আরও পড়ুন:

ভোটার ও প্রার্থীদের জন্য নিয়ম (Rules for Voters and Candidates)

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল আলীম জানিয়েছেন, নির্বাচনের দিন ভোটাররা (Voters) ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি (Private Car) ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।

দূরপাল্লার যানবাহন ও মহাসড়ক (Long-distance Transport & Highways)

ইসি জানিয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক (National Highway), বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের প্রধান রাস্তাগুলোতে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। দূরপাল্লার বাস (Long-distance Bus) বা যাত্রী বহনকারী যানবাহন স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য চলাচল করতে পারবে।

ভোটের দিন মেট্রোরেল চলাচল (Metro Rail on Election Day)

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (DMTCL) জানিয়েছে, ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভোটের দিন মেট্রোরেল (Metro Rail) চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। অধিকন্তু, ভোটারদের চাপের কথা মাথায় রেখে ওই দিন ট্রেনের সংখ্যা (Number of trains) বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন:

যানবাহন চলাচলের গাইডলাইন: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যানবাহনের ধরন নিষেধাজ্ঞার সময়কাল যাদের জন্য শিথিল (অনুমতিপ্রাপ্ত)
মোটরসাইকেল (Motorcycle) ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা হতে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (৭২ ঘণ্টা) ইসির স্টিকারযুক্ত বাইক, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা হতে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত জরুরি সেবা (ওষুধ, সংবাদপত্র), বিমানবন্দর যাত্রী ও অনুমতিপ্রাপ্ত নির্বাচনি এজেন্ট।
ব্যক্তিগত গাড়ি (Private Car) ভোটের দিন সীমিত ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন (বিশেষজ্ঞ মতামত অনুযায়ী)।
মেট্রোরেল (Metro Rail) স্বাভাবিক চলাচল সকল সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
দূরপাল্লার যানবাহন (Long-distance) চলমান থাকবে জাতীয় মহাসড়ক ও প্রধান সংযোগ সড়কগুলোতে যাতায়াত করতে পারবে।
বি.দ্র: বিদেশগামী যাত্রীদের ক্ষেত্রে বিমান টিকিট বা পাসপোর্ট প্রমাণ হিসেবে প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন:


এসআর