এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে নৈতিকতার চরম অভাব দেখা দিচ্ছে। একটি স্বাধীন দেশে হামলা কিংবা কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করার মতো ঘটনা মানবতার জন্য হুমকিস্বরূপ। যারা মানবিক মূল্যবোধ আর গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, তারা বিশ্ব পরিস্থিতির এমন অবনতি দেখে চরমভাবে হতাশ হচ্ছেন। এই সংঘাত বন্ধে বিশ্ব বিবেকের জাগ্রত হওয়া জরুরি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমরা এক কঠিন ও অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বিশ্ব রাজনীতিতে নৈতিকতার অভাব প্রকট।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা মানুষ, তাই মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশেও যে অস্থিরতা চলছে, তাতে মানুষ এখনো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করে না, এটা আল্লাহর অশেষ রহমত।’
আরও পড়ুন:
গত ১৭-১৮ বছরে দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা ক্ষমতায় থাকাকালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থার। এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেনে তোলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন মূল লক্ষ্য।’
ড. শাহিদা রফিকের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তিনি (শাহিদা রফিক) ছিলেন আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক এবং বিদুষী নারী। প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি যেভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য উদাহরণ। তিনি সত্যকে সত্য এবং অন্যায়কে অন্যায় বলার সাহস রাখতেন।’
তিনি বলেন, ‘ড. শাহিদা রফিকের আদর্শকে ধারণ করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’
আইএসটি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মো. শাহপুর রফিক মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।




