প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি ব্লকে কাজ শুরু (First phase data collection starts in selected blocks)
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (Director General of DAE) মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক জরুরি অফিস আদেশে এই কার্যক্রমের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
- যৌথ সিদ্ধান্ত: কৃষি মন্ত্রণালয়ে কৃষিমন্ত্রীর (Agriculture Minister) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটি’র (Krishak Card Technical Working Committee) দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ: প্রাথমিক অবস্থায় প্রতিটি উপজেলা থেকে একটি করে পাইলট ব্লক নির্বাচন করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য সব ব্লকে এই ডেটা সংগ্রহের কাজ সম্প্রসারণ করা হবে।
আরও পড়ুন:
বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহ (Digital data collection via specialized Krishak Card App)
সনাতন পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে কৃষকদের ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে।
- কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ: এই কার্যক্রম সফল করতে গত ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ (Data Collection App) ব্যবহারের ওপর নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
- জরুরি নির্দেশনা: প্রশিক্ষণ শেষেই আজ ১৮ জুলাই থেকে মাঠপর্যায়ে কৃষক ও কৃষিজমির সঠিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের (Upazila Agriculture Officer) এই কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে যেসব সুবিধা পাবেন প্রকৃত কৃষকেরা (Benefits of Digital Krishak Card for Bangladeshi farmers)
সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার (Integrated Farmer Database) তৈরি হবে। এর ফলে প্রকৃত কৃষকেরা সরাসরি নিচের সরকারি সুবিধাগুলো পাবেন:
- কৃষি প্রণোদনা ও ভর্তুকি: সরকারি কৃষি প্রণোদনা (Agricultural Incentives) এবং সারের ভর্তুকির টাকা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছাবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে।
- সহজ শর্তে কৃষি ঋণ: ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে এবং কম সুদে কৃষি ঋণ (Easy agricultural loan facilities) সুবিধা পাওয়া যাবে।
- সরকারি সেবা: বীজ, কীটনাশক, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণসহ সরকারের অন্যান্য সব জরুরি সেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি ও তথ্য সংগ্রহ রূপরেখা
একনজরে: উপজেলাভিত্তিক পাইলট ব্লক নির্বাচন, তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ ও মাঠপর্যায়ের সর্বশেষ আপডেট
কার্যক্রমের সূচনা
দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত ব্লকে একযোগে কৃষক ও কৃষিজমির ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ শুরু।
১৮ জুলাই, ২০২৬ থেকে
তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ (Data Collection App) ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটাবেজ প্রস্তুত।
১৪-১৮ জুলাই ২০২৬
কার্যক্রম সম্প্রসারণ
প্রথম ধাপের পাইলট ব্লকের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে উপজেলার অন্যান্য সব ব্লকে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ।
ধাপ-২
প্রধান সুবিধাসমূহ
নির্ভুল তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক শনাক্তকরণ, সরকারি সারের ভর্তুকি, বীজ-কীটনাশক বিতরণ, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ এবং জরুরি প্রণোদনা সরাসরি প্রদান।
বিশেষ নির্দেশ: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) আদেশ অনুযায়ী, বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
মূল বিষয় (Core Topic)
বাস্তবায়ন কৌশল ও সরকারি নির্দেশনা (Implementation & Directives)
কার্যকরের সময়কাল (Timeline)
(Program Launch)
(সারাদেশে একযোগে শুরু)
(Data Collection Method)
(অ্যাপ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন)
(Phased Expansion)
(পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী)
(Key Benefits)





