পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দাবিতে মঙ্গলবার দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ-অবরোধ করে এইচএসসি পরীক্ষা। এদিন রাতে আজ (বুধবার, ১৫ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ ঘোষণা ঘোষণা করে আন্দোলনের সমাপ্তি টানে পরীক্ষার্থীরা।
এ পরিস্থিতিতেই বুধবার পদার্থবিজ্ঞান ২য় ও হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র অনুষ্ঠিত হলো চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি সতর্কতা দেখা গেছে।
একদিকে রাজপথের অস্থিরতা, অন্যদিকে সন্তানদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এ দুইয়ে মিলে সকাল থেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সামনে বিরাজ করে টানটান উত্তেজনা আর অভিভাবকদের উদ্বেগ।
আরও পড়ুন
সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের সামনে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের থেকে অভিভাবকদের উপস্থিতি অনেকটাই বেশি। পরীক্ষা শেষে লং মার্চ কর্মসূচি থাকায় সন্তানের যেনো কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি না হয় সে উদ্দেশ্যেই আজ এসেছেন অনেক অভিভাবক।
একজন অভিভাবক বলেন, ‘এখন এ আন্দোলন আমার কাছে মনে হচ্ছে অযৌক্তিক। ছাত্রদের এখন লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয়া উচিত।’
যদিও বেশিরভাগ অভিভাবকই এবারের প্রশ্নপত্র এবং পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে একজন অভিভাবক বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর প্রয়োজন ছিলো আগে বাচ্চাদের পড়াশোনা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটা কলেজ কিংবা স্কুলে দেখা।’
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা জানান, এদিন পরীক্ষার প্রশ্ন অনেকটা মানসম্পন্ন হয়েছে। বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীকেই শিক্ষামন্ত্রীর উপর ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায়। তবে পরীক্ষা শেষে কাউকে আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা যায়নি।
আজ চট্টগ্রাম বোর্ড বাদে দশ বোর্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পাঁচ বিষয়ের পরীক্ষা।




