বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চলছে। অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন ওয়াকি টকি জব্দ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাও দায়ের করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী যেকোনো ধরনের ওয়াকিটকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন কিংবা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া এসব যন্ত্র ব্যবহার আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।
আরও পড়ুন:
এ অবস্থায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিপণিবিতানসহ সব ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে বিটিআরসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়া কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকিটকি ব্যবহার করা যাবে না।
বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তাই জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সবাইকে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।




