বিমানবন্দর এলাকায় কোনো শব্দ দূষণ থাকবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

শফিকুল ইসলাম খান
শফিকুল ইসলাম খান | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে শব্দ সচেতনতামূলক এক সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (শুক্রবার, ৫ জুন) গুলশান-২ গোল চত্বরে সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

এসময় ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নিরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে এবং আজ থেকে এই এলাকা নিরব এলাকা থাকবে। এখানে কোনো শব্দ দূষণ থাকবে না। কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে।

প্রশাসক জানান, গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা নিরব এলাকা হিসেবে ঘোষিত এবং এসব এলাকার সোসাইটির সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবে।

প্রশাসক বলেন, ‘আমরা যদি আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হই এবং যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, তাদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আমরা বলছি না একদিনেই এটা শতভাগ শেষ করা সম্ভব, তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় আমরা কাজের মাধ্যমে এটা বাস্তবায়নের প্রমাণ করব।’

আরও পড়ুন:

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগ এর তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি সফলভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

সমাবেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ডিভাইডারে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙ্গানো, পত্রিকা বিজ্ঞাপন প্রকাশ, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পিভিসি প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্যাম্পিং পরিচালনা করা হচ্ছে।’

ঢাকা মেট্রোপলটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ এ ট্রাফিক পুলিশকে ক্ষমতা প্রদানের পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপকভাবে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে এবং এর সুফল নগরবাসী ধীরে ধীরে পাবেন।’

সমাবেশে গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, বনানী সোসাইটি, বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসএস