প্রায় তিন দশক পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন বিতর্ক

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয় | ছবি : সংগৃহীত
0

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের প্রায় তিন দশক পর সেই সাফল্যকে ঘিরে উঠেছে নতুন বিতর্ক। সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রীর এক স্বীকারোক্তি প্রশ্ন তুলেছে বিশ্বকাপের আগে ডোপিং পরীক্ষা নিয়ে।

১৯৯৮ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের বিশ্বজয়। অনন্য সেই গৌরবের গল্পে দীর্ঘ ২৮ বছর পর কলঙ্কের দাগ। একটি প্রামাণ্যচিত্র সামনে আসতেই বিতর্কের মুখে ফরাসীদের সেই শিরোপাজয়ের গল্প।

জিদান, দ্য মেকিং অব এ লিজেন্ড প্রামাণ্যচিত্রে ফ্রান্সের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মারি-জর্জ বুফের এক স্বীকারোক্তি ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, ১৯৯৮ বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফ্রান্স জাতীয় দলের ওপর আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছিল।

বুফে দাবি করেন, প্রথম সারপ্রাইজ টেস্টের পর ফরাসি শিবিরে অসন্তোষ তৈরি হয়। এরপর বিশ্বকাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা হয়নি। এর আগে ২০১৩ সালে ফরাসি সিনেটে শপথ নিয়ে বুফে বলেছিলেন, তার মন্ত্রণালয় কখনোই ডোপিং পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ দেয়নি। যা বর্তমান বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

এ বিষয়ে আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন সে সময় পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক আলাঁ গার্নিয়ে। তার ভাষ্য, তাকে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল- বিশ্বকাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফ্রান্স দলকে যেন আর বিরক্ত করা না হয়। এই বিষয়েও সত্যতা স্বীকার করেছেন বুফে।

তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি, যা দেখায় যে ফ্রান্সের কোনো খেলোয়াড় ডোপিং করেছিলেন অথবা ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয় অবৈধ ছিল। নতুন বিতর্কের মূল কারণ বিশ্বকাপের আগে আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা স্থগিত করা। বহু বছর পর আসা এই স্বীকারোক্তি ১৯৯৮ বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত নতুন কোনো তদন্তে গড়ায় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এফএস