ব্রডকাস্টিং ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনা আর আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে রাজধানীর কুড়িলে আইসিসিবিতে শুরু হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কেবল টিভি, ব্রডকাস্টিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন এক্সপো ২০২৬। দ্বিতীয়বারের মতো এই আয়োজন করেছে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।
কেবল অপারেটর, টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদাতা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে আনার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে থাকছে সফটওয়্যার, ব্রডকাস্টিং সলিউশন ও ইন্টারনেট সেবার নানা অফার। পাশাপাশি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগও পাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমাদের সারা দেশে ৭২ হাজার কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড ফাইবার করা আছে। আমরা বাংলাদেশের টপ আইটিসি প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করতেছি।’
আরও পড়ুন:
অন্য একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘আমরা শুরু করি পে চ্যানেল ডিস্ট্রিবিউশন দিয়ে। বাংলাদেশে আসলে আমরা এই পুরো মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিটাতে ক্যাবল টিভি নিয়ে আমরা আসলে সবসময় ইনোভেটিভ থাকার চেষ্টা করেছি।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তি খাতের বিকাশে প্রাইভেসি ও অনিয়ম সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানে সরকারের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। আর কোয়াব সভাপতি জানান, এ মেলার অন্যতম লক্ষ্য কেবল অপারেটর ও টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করা।
কোয়াব সভাপতি এ বি এম সাইফুল হোসেন সোহেল বলেন, ‘১৬ কোটি বা ২০ কোটি জনগণের দেশে না হলেও ৩ কোটি জনগণ আমাদের গ্রাহকG যে গ্রাহকদেরকে আমরা এই সেবাটি দিয়ে আসছি। যে সেবা থেকে সরকারের একটি বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হওয়া সম্ভব এবং এই সেক্টরের সঙ্গে জড়িত যে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আছে যারা আজকের দিনে শুধু বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আর এই টেলিভিশন চ্যানেলটি বাঁচিয়ে রাখতে পারছেন না, তারা যদি এই রেভিনিউ গ্রাউন্ড থেকে একটা রেভিনিউ জেনারেট করতে পারি এবং সেটির একটি অংশ যদি তাদের সঙ্গে আমরা শেয়ার করতে পারি তাহলে দুটো সেক্টরই ঘুরে দাঁড়াবে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে এক্সপোর উদ্বোধন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জানান, বর্তমানে গণমাধ্যম অনেক বেশি স্বাধীন পরিবেশে কাজ করছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গণমাধ্যম খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘আমাদের সবার একটা কালেক্টিভ মেধার বিনিয়োগ দরকার, একটা যৌথ মেধার বিনিয়োগ দরকার। এই আধুনিক গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমস্ত অংশীদারদের পারস্পরিক স্বার্থ সংরক্ষণ করে একটা নীতিমালা কীভাবে তৈরি করা যেতে পারে।’
তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্বাধীন গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কমিশন তৈরির প্রতিশ্রুতি ছিলো বিগত সরকারের গালভরা বুলি। আগামী শনিবার (৯ মে) পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী।





