নব্বই মিনিটেই বদলে গেল ভজিনহার জীবন!

ভজিনহা
ভজিনহা | ছবি: সংগৃহীত
0

ফুটবল নামের ৯০ মিনিটের চিত্রনাট্য- এর আগেও বদলে দিয়েছিল অনেকের জীবন। ফুটবলের সুবাদে অখ্যাত এক জীবন ফেলে বিখ্যাত হওয়ার গল্পটাও কম না। সেই গল্পে নতুন সংযোজন হতে পারে ভজিনহার নাম। আফ্রিকান দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দের বিশ্বকাপ বীরত্বে যিনি হয়েছেন ম্যাচের নায়ক।

বলা হয়, মোঙ্গল জাতির আক্রমণ ঠেকাতেই নির্মাণ করা হয় চীনের মহাপ্রাচীর। আর বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণ ঠেকাতেই বুঝি কেপ ভার্দের বুকে জন্ম নিয়েছিলেন ভজিনহা নামের আরও একটি প্রাচীর। বিশ্বকাপের হট ফেভারিট স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেকের পেছনে সবচেয়ে বড় কারিগর তো এই ৪০ বছরের গোলরক্ষকই। ৪-৫-১ ফর্মেশনের জমাট রক্ষণের সঙ্গে ভজিনহার বীরত্বে স্পেনকে রুখে দেয় কেপ ভার্দে।

পুরো ম্যাচে ৭ সেইভ দিয়েছেন ভজিনহা। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে অন্তত ৭ সেইভ আর ক্লিনশিটের মাত্র চতুর্থ ঘটনা এটি। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের শুরুতেই যেন কিংবদন্তিদের কাতারে এই গোলরক্ষক। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে ক্লিনশিটের রেকর্ডটাও নিজের করে নিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:

অবশ্য দুর্ভাগ্যের গল্প আছে স্পেনের জন্যেও। ২০২২ আসরে জাপানের বিপক্ষে নিজেদের সবশেষ গোলের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ২৫০০ পাস খেলেও গোলের দেখা পায়নি লা রোহারা। যদিও এসময় তারা প্রতিপক্ষের গোলমুখে নিয়েছে ৪৯ শট। এছাড়া ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট বলে কোনো স্পর্শ না করে বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছেন স্ট্রাইকার মিকেল ওরায়াসাবাল। ১৯৬৬ সালে অফিসিয়াল ডাটা সংরক্ষণ শুরুর পর থেকে এমন ঘটনা এবারই প্রথম।

তবে সব ছাপিয়ে আপাতত ফুটবল বিশ্ব বুঁদ হয়ে আছে ভজিনহার বীরত্বে। বাছাইপর্বের পর মূল বিশ্বকাপেও ক্লিনশিট রেখেছেন এই গোলরক্ষক। স্মরণীয় এই যাত্রা কতটা স্থায়ী হয়, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

এসএস