পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রটির ছয়টি ট্রেড এবং চারটি ভাষা শিক্ষা কোর্স সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশিক্ষণের মান ও ক্লাস পরিচালনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা কোনো পূর্ব পরিকল্পনা না জানিয়েই মানিকগঞ্জের টিটিসিতে চলে এসেছি। হঠাৎ করে আসলে একটি সুবিধা হয়—প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত চিত্রটা দেখা যায়। ডেটাতে দেখা যায় কতজন শিক্ষার্থী ক্লাস করছে, কিন্তু সরেজমিনে না এলে বোঝা যায় না ঠিকমতো প্রশিক্ষণ হচ্ছে কি না।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমরা কারিগরি শিক্ষাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি। কারণ দেশের সবাইকে বিসিএস বা অন্যান্য সরকারি চাকরিতে নেয়া সম্ভব নয়। সবার জীবনমান উন্নত করতে হলে কারিগরি শিক্ষার মান বাড়াতে হবে।’
বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা প্রসঙ্গে সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের একটি বড় সংকট হলো যারা বিদেশে যান, তাদের অনেকেই অল্প প্রশিক্ষিত বা প্রশিক্ষণহীন। ফলে তারা ভালো কাজ পান না এবং নানা সমস্যায় পড়েন। কিন্তু আমরা যদি দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে পারি, তাহলে তারা দেশের জন্য বড় সম্পদ হয়ে উঠবে এবং রেমিটেন্সও বাড়বে।’
আকস্মিক পরিদর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসি রুমে বসে ব্রিফ নিলে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না। এখানে এসে কিছু জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন দেখেছি, আবার কিছু বিষয় খুব ভালো লেগেছে সেগুলো অন্য জায়গায় প্রয়োগ করা যাবে। এটাই পরিদর্শনের মূল উপকারিতা।’





