ঢাকায় দারুণ জয়ের পরও ইনজুরি আর ফর্ম বিবেচনায় প্রথা ভেঙে দুই পরিবর্তন নিয়ে সিলেটের সবুজ মাঠে নামে বাংলাদেশ। সঙ্গী বদলালেও, বদলায়নি জয়ের ফর্ম। খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেয়ার চিরায়ত স্বভাব বজায় রেখে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন এই ওপেনার।
দেশের টেস্ট ইতিহাসের ১০৯তম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হওয়া তানজিদ তামিমও রাঙাতে পারেননি দীর্ঘতম সংস্করণে নিজের শুরুটা। ২৬ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর অভিজ্ঞ মুমিনুল, শান্ত, মুশফিকরা যা করলেন সেটিকে ক্রিকেটের অভিধানে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনজনই উইকেটে সেট হয়ে তারপর উইকেট বিলিয়ে এসেছেন। তাদের সংগ্রহ যথাক্রমে ২২, ২৯ ও ২৩ রান।
দলের বিপদের মূহুর্তেও লাক্সারি শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন অভিজ্ঞ মেহেদি মিরাজও। মাত্র ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে স্বাগতিক শিবির।
আরও পড়ুন:
অন্যদের ভুলের মিছিলে যোগ দেননি লিটন দাস। উইকেটের ঝড় সামাল দেন দক্ষ নাবিকের মত। কাঁধে তুলে নেন দলকে এগিয়ে নেয়ার গুরুদায়িত্ব। জুটি বাঁধেন স্পিনার তাইজুল ইসলামের সঙ্গে। দু'জনের ৬০ রানের পার্টনারশিপ বিপদ কাটিয়ে তোলে। সঙ্গে যোগান দেয় আত্মবিশ্বাসেরও।
১৬ রান করে তাইজুলের বিদায়ের পর দ্রুতই বিদায় নেন তাসকিনও। লিটন দাসের সঙ্গী হন শরিফুল। নবম উইকেটে এই জুটি উপহার দেয় দিনের সর্বোচ্চ ৬৪ রান। টেলএন্ডারদের সঙ্গী করে স্ট্রাইক রেখে পাল্টা আক্রমণ শানাতে থাকেন লিটন। তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি।
ততক্ষণে দলও পেয়ে যায় আড়াইশো পেরোনো সংগ্রহ। ১২৬ রানে থামে লিটন দাসের সাহসী ইনিংস। নাহিদ রানা দ্রুত বিদায় নিলে ২৭৮ রানে থামে বাংলাদেশও।
শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানী ইনিংসে ফাটল ধরাতে পারেননি তাসকিন-নাহিদরা। কোনো উইকেট না হারিয়েই দিনশেষ করেছে সফররতরা।





