ফুয়েল পাশ অ্যাপে শৃঙ্খলা ফিরলেও কারিগরি জটিলতায় কমেনি ভোগান্তি

তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন
তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন | ছবি: এখন টিভি
0

রাজধানীর নির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাশ অ্যাপে শৃঙ্খলা ফিরলেও অ্যাপসের কারিগরি কিছু জটিলতা রয়েই গেছে। যে কারণে ভোগান্তি পুরোপুরি কমেনি। এদিকে ডিপো থেকে সরবরাহ বাড়ানোর কথা বলা হলেও অনেক ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ধিত সরবরাহ তারা পায়নি। সে কারণে পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি কমেনি।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পেট্রোল পাম্পগুলোতে অকটেন-পেট্রোলের সরবরাহ বাড়ানো ও নগরীর সাতটি পাম্পে পরীক্ষামূলক ফুয়েল পাশ ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে কতটা বদলেছে পাম্পগুলোর চিত্র? বাস্তবতা বলছে, পাম্পের সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন আগের মতোই।

অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করায় কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে, তাতে সন্তুষ্ট অনেক গ্রাহক। তবে পাম্প ভেদে তাদের দেয়া হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার তেল।

অ্যাপের মাধ্যমে তেল দেয়ার কারণে আগের চেয়ে ভোগান্তি অনেক কমেছে বলে জানান তেল নিতে আসা বাইকারা।

তবে এ পদ্ধতিতেও আছে নানা বিপত্তি। অনেকের হাতে নেই স্মার্টফোন, তাই অগত্যা ফিরতে হচ্ছে তেল ছাড়াই। অনেকের আবার তেল নেয়ার আগ মুহূর্তে লগ আউট হয়ে যাচ্ছে অ্যাপ।

আরও পড়ুন:

তেল নিতে আসা একজন বলেন, ‘আমার তো স্মার্ট ফোন নাই। তাহলে তো আমরা তেল নেবো কেমন করে। বাসায় ফোন দিয়ে বলার পর তারা চেষ্টা করেছে। কিন্তু সার্ভার স্লো থাকায় তারাও ঢুকতে পারেনি।’

এদিকে, রাজধানীর বাইরে অনেক জেলার লাইসেন্সকৃত মোটরসাইকেল এখনো ফুয়েল অ্যাপের নিবন্ধনের তালিকায় যুক্ত হয়নি। সেক্ষেত্রে ঢাকার বাইরের গাড়িগুলোতে ৫০০ টাকার তেল দিতে দেখা যায় বিভিন্ন পাম্পে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এদিন বাড়তি সরবরাহ দেখা গেছে কিছু ফুয়েল স্টেশনে। আসাদগেটের একটি পাম্পের ম্যানেজার জানান, আগের দিনের চেয়ে আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন ও ডিজেল ৪ হাজার লিটার বেশি পেয়েছেন। তবে গ্রাহক চাহিদা মেটাতে সরবরাহ আরও বাড়ানোর দাবি তার।

তালুকদার ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার তন্ময় বাড়ৈ বলেন, ‘গতকয়েক দিনের চেয়ে ৪ হাজার লিটার বেশি তেল পেয়েছি। সব ধরনের তেল আমরা বেশি পেয়েছি।’

রোদ, গরম উপেক্ষা করে তেল পাম্পের এ দীর্ঘ অপেক্ষা কবে ফুরাবে? এর উত্তর যেন সবারই অজানা। তবে এ সংকট অবসানে সরবরাহ বাড়ানো ও তেল বিতরণে শৃঙ্খলা আনার দাবি গ্রাহকদের।

জেআর