শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি বিমানবন্দর রেললিঙ্ক স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিগন্যাল বারিয়ার নেমে যাওয়ার পর বাসটি রেললাইনের ওপর আটকা পড়ে। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে দ্রুতগামী একটি মালবাহী ট্রেন স্থির দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনটি বাসটিকে বেশ কিছুটা পথ টেনে নিয়ে যায় এবং এর ফলে বাসটিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। এ সময় আশপাশের আরও কয়েকটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্যাংকক পুলিশের প্রধান উরুমপর্ন কুনদেজসুমরিত ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ৩৫ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের উপ-পরিবহন মন্ত্রী সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত দুর্ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিহতদের সবার মরদেহ বাসের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাসে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এই দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রেললাইনের নিরাপত্তা বারিয়ার সঠিকভাবে কাজ করেছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তদন্তের আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি উপ-পরিবহন মন্ত্রী।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খাসোদ ইংলিশ জানিয়েছে, মালবাহী ট্রেনটি চাচোয়েংসাও প্রদেশ থেকে ব্যাংককের ব্যাং সু জেলার দিকে যাচ্ছিল। ব্যাংককের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ পুরোনো হওয়ায় এর নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারিতে ব্যাংককের উত্তর-পূর্বে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ে ২৮ জন নিহত হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনা থাইল্যান্ডের রেল নিরাপত্তা রেকর্ড নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।





