এসময় সংলাপে অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন, শুধু সংস্কার নয়, বরং ক্ষমতার স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।
বক্তাদের দাবি, জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিলো কাঠামোগত পরিবর্তন। কিন্তু এখন তা সরে গিয়ে সীমাবদ্ধ হচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলেই।
আরও পড়ুন:
সংলাপে, সংসদের প্রণয়ন ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ-২০২৫ স্থগিত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে আলোচনা হয়।
আলোচনায়, নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা স্থগিত করলে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে দেশে সুশাসন ও নাগরিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেই অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে।
আরও পড়ুন:
এসময়, আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ মানবাধিকার ও সংস্কার নিয়ে কাজ করা নাগরিক সমাজের বেশ কিছু প্রতিনিধি, আইনজীবী, জুলাই যোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





