সাক্ষাতের সময় কৃষিখাত, খাদ্য নিরাপত্তা , আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যসহ উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। প্রায় ৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে দেশের কৃষি, প্রযুক্তিসহ নানা খাতে রাশিয়া সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশে নন ইউরিয়া সার বিশেষ করে এমওপি সারের একটি বড় অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করে।’
ভবিষ্যতেও এ সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে সে বিষয়ে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার আমদানি বাড়াতে রাশিয়াকে আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার খোজিন বাংলাদেশের কৃষি খাতে তার দেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে জানান। বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া নিয়মিতভাবে আলুসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য আমদানি করে থাকে বলে রাষ্ট্রদূত জানান।
রাষ্ট্রদূত সার ও বীজ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশের আগ্রহের কথা জানান। মন্ত্রী এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা, কাউন্সিলর (কৃষি এটাচ) ভ্লাদিমির মোকালভ উপস্থিত ছিলেন।





