রেশনিং উঠলেও কাটেনি জ্বালানি সংকট: রাজধানীর অধিকাংশ পাম্প বন্ধ

পাম্প স্টেশনগুলোতে যানবাহন নিয়ে মানুষদের ভিড়
পাম্প স্টেশনগুলোতে যানবাহন নিয়ে মানুষদের ভিড় | ছবি: সংগৃহীত
0

শনিবার রাত থেকে দূরপাল্লা ও গণ-পরিবহনে তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়া হলেও তেলের সঙ্কট যেন কাটছেই না। রাজধানীর বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পই জ্বালানি সঙ্কটে বন্ধ রাখতে দেখা যায়। হাতেগোনা যে কয়েকটা পাম্পে তেলের সরবরাহ রয়েছে সেখানে গ্রাহকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

গণ-পরিবহনের জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে সরকার ইতোমধ্যে সুখবর দিলেও সঙ্কট যেন কাটছেই না। শনিবার মধ্যরাত থেকে গণ-পরিবহনে তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের খবরে পাম্পগুলোতে এসে অপেক্ষা করে বাস-ট্রাকগুলো। তবে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে চালকদের। বেশ কিছু পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরাও।

কদিন বাদেই ঈদ। তাই রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালক কিংবা ব্যক্তিপর্যায়ে যানবাহন সবারই ব্যস্ততা খানিকটা বেশি। তেলের এই সঙ্কট তাদেরও ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে বিক্রি।

আরও পড়ুন:

তবে রাজধানীর কিছু পাম্পে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। মধ্যরাতেও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন চালকেরা। রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ ৫ লিটার এবং সাধারণ বাইকারদের ২ লিটার করে তেল দেয়া হচ্ছে। তবে অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, কিছু পাম্প কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছে, আগের চেয়ে চাপ কিছুটা কমেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

গণ-পরিবহনে তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিল কার্যকরের পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত যানবাহনেও মিলবে স্বস্তি।

ইএ