আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিশন প্রবাসীদের সুরক্ষায় একযোগে কাজ করছে। যুদ্ধে বাংলাদেশি চারজন প্রবাসী নিহত হলেও একজনের মরদেহ দেশে এসেছে, বাকীদের মরদেহও সে দেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে সরকারি খরচে দেশে আনা হবে। আমরা নিহতদের সবার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি।’
তিনি বলেন, ‘যারা আহত হয়েছে দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে যারা কর্মহীন এবং গৃহবন্দী হয়ে আছে তাদেরকেও খুঁজে বের করে দূতাবাসের মাধ্যমে খাবার ও অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
এসময় মন্ত্রী নিহতের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।
এর আগে মন্ত্রী প্রবাসী আহম্মদ আলীর মরদেহ নিয়ে বড়লেখায় পৌঁছালে নিহতের বাড়িতে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। মন্ত্রী এসময় শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্ল্যা ভূঁইয়া, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।





