চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র সেবা কমিটির সদস্যদের জন্য আয়োজিত এক গোপন (ক্লাসিফাইড) ব্রিফিংয়ে পেন্টাগন এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মাইন অপসারণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম।
জিপিএস প্রযুক্তির মাইন
আলোচনার বিষয়ে অবগত তিনজন কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন, পেন্টাগনের এই ছয় মাসের সময়সীমার প্রাক্কলন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের আইনপ্রণেতাদেরই হতাশ করেছে। আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে যে, ইরান এই প্রণালি ও এর আশেপাশে অন্তত ২০টি বা তার বেশি মাইন পুঁতে রেখেছে। এর মধ্যে কয়েকটি জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে রিমোট কন্ট্রোলে ভাসিয়ে রাখা হয়েছে, যা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।
বিশ্ব বাণিজ্যে প্রভাব
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই সরু জলপথটি কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। অথচ যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হতো। যদিও বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফলে সরাসরি লড়াই বন্ধ রয়েছে, তবে মাইন আতঙ্কে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতে পারছে না।
এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল স্বীকার করেছেন যে, একটি গোপন ব্রিফিংয়ে এমন মূল্যায়ন করা হয়েছিল। তবে তিনি প্রকাশিত তথ্যের কিছু অংশকে ‘নির্ভুল নয়’ বলে দাবি করেছেন।





