তিনি বলেন, ‘আমরা একটা বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই মুহূর্তে অবস্থান করছি। এই বৈরী পরিস্থিতির কারণে আমাদের সামনে অনেকগুলো নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এসেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই মুহূর্তে আমাদের দরকার ধৈর্য এবং ঐক্য।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার এই বৈরী পরিস্থিতির মধ্যে কিভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সেই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ আছেন এবং সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করছেন।’
আরও পড়ুন:
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ সবসময়ই অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল। সেই তুলনায় নারায়ণগঞ্জের যে পরিবর্তন হওয়া দরকার সেই পরিবর্তনগুলো হয়নি। আমরা এখানে দেখেছি যে একদিকে ফ্যাসিস্ট শাসন অন্যদিকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব খুন খুনোখুনি। ত্বকীর মত একজন নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হলো। এরকম একটা ত্রাসের রাজত্বের শহরে পরিণত করা হয়েছে। অথচ নারায়ণগঞ্জ ঢাকার পাশেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হিসেবে এর বিরাট যে সম্ভাবনা ছিল । দুর্ভাগ্যক্রমে কোন ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জে তৈরি হয়নি। নারায়ণগঞ্জে একটা ভালো হাসপাতাল ঠিকমতো নেই।’
জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ অ্যাড. আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক এইচ এম সাজ্জাদ হেসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান, প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এইচএম আনোয়ার প্রধানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।





