বিতর্ক কমাতে ফিফা বিশ্বকাপে নতুন প্রযুক্তির সংযুক্তি, বদলে যাচ্ছে চিত্র!

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্বকাপে অফসাইড নিয়ে বিতর্ক, দীর্ঘ অপেক্ষা আর হতাশা সবকিছুরই কি শেষ হতে যাচ্ছে? ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আসছে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি, যা বদলে দিতে পারে ফুটবলের সবচেয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর চিত্র। দ্রুততর অফসাইড কল, এআই-চালিত থ্রিডি ভার্শন, এমনকি বল মাঠের বাইরে গেছে কি না সেটাও বলে দেবে প্রযুক্তি।

বিশ্বকাপে এবার রেফারিদের সহকারী হতে চলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দ্রুত অফসাইড সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে বল মাঠের বাইরে গেছে কি না— সবই বলে দেবে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি।

ফিফা চালু করতে যাচ্ছে উন্নত সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি। নতুন এই ব্যবস্থায় কোনো খেলোয়াড় ১০ সেন্টিমিটারের বেশি অফসাইডে থাকলেই সহকারী রেফারির কানে পৌঁছে যাবে তাৎক্ষণিক অডিও সতর্কবার্তা।

ফলে আগের মতো খেলা চলতে দেয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না। সিগনাল পাওয়ার পর সহকারী রেফারিরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকবে তাদের হাতেই।

এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে নিরাপত্তার বিষয়টিও। গত বছর অফসাইড পতাকা তুলতে দেরি হওয়ায় গোলপোস্টে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হন নটিংহ্যাম ফরেস্টের স্ট্রাইকার তাইও আওনিয়ি। এমন ঝুঁকি কমাতেই দ্রুত সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছে ফিফা।

আরও পড়ুন:

শুধু অফসাইড নয়, বিশ্বকাপে ব্যবহার হবে এআই-নির্ভর থ্রিডি প্রযুক্তিও। ৪৮ দলের ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের ডিজিটাল স্ক্যান তৈরি করা হবে, যা অফসাইড সিদ্ধান্তকে আরও নিখুঁত করতে সাহায্য করবে। দর্শকেরাও দেখতে পাবেন আরও উন্নত ও পরিষ্কার থ্রিডি অ্যানিমেশন।

এছাড়া বল মাঠের বাইরে গেছে কি না, কর্নারের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো কি না কিংবা গোলরক্ষকের দৃষ্টিসীমা কোনো খেলোয়াড় বাধাগ্রস্ত করেছে কি না— এসব বিষয়েও সহায়তা করবে নতুন প্রযুক্তি। বলের ভেতরে থাকা চিপ এবং রিয়েল-টাইম থ্রিডি রিক্রিয়েশন সিস্টেম ভিএআরকে দেবে আরও নির্ভুল তথ্য।

ফুটবলকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ওপর বড় বাজি ধরেছে ফিফা। দেখার বিষয় ২০২৬ বিশ্বকাপে এই নতুন প্রযুক্তি বিতর্ক কমাতে পারে, নাকি জন্ম দেয় নতুন কোনো আলোচনার।

এসএইচ