গ্রেপ্তাররা হলেন— উপজেলার দক্ষিণ তেওতা এলাকার আশরাফুল (২৬), রবিন ওরফে সোহেল রানা (২৭) এবং তেওতা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিতাই চন্দ্র পাল (৪৫)।
গত ৩০ মে দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ তেওতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার কয়েকদিন পর গতকাল (শুক্রবার, ৫ জুন) ভুক্তভোগী বৃদ্ধা শিবালয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একজন ভিক্ষুক। ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় একটি বাজারে ভিক্ষা করছিলেন। এসময় আশরাফুল ও রবিন তার কাছে এসে জানান, রবিনের মা তাকে কিছু দেয়ার জন্য বাড়িতে ডাকছেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি একটি ইজিবাইকে করে তাদের সঙ্গে রওনা দেন।
পরে দক্ষিণ তেওতা এলাকায় তৈয়বের বাঁশবাগানের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের সময় আশরাফুল ভুক্তভোগীর গলায় থাকা প্রায় ১ ভরি ১৪ আনা ওজনের একটি রুপার মালা চুরি করে নেয়। ঘটনার বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
পরে বিষয়টি স্বজনদের জানালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে ষাইটঘর বাজার এলাকা থেকে আশরাফুল ও রবিনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা চুরি হওয়া রুপার মালা তেওতা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিতাই চন্দ্র পালের কাছে বিক্রির কথা স্বীকার করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিতাই চন্দ্র পালকে গ্রেপ্তার করে এবং তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া রুপার মালা উদ্ধার করে।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ধর্ষণের কারণে দু’জনকে আর চোরাই মালামাল কেনার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’





