শেষ রাতে লম্বা এ লাইন যানবাহনের জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য। যেখানে ঘণ্টা পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ক্রেতারা। নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য তৈরি হয় এমন বিশৃঙ্খলা, হুড়োহুড়ি। মূলত জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় বেড়েছে গ্রাহকের।
রাতে পাম্পে তেল বিক্রিতে রেশনিং করে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ ও গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল সরবরাহ করতে দেখা গেছে পাম্প মালিকদের। গ্রাহকরা জানান, ২-৩ পাম্প ঘুরে তেল পাওয়া যাচ্ছে। তারা বলছেন, তেল সংকট ও দাম বাড়ার শঙ্কায় জ্বালানি সংগ্রহ করছেন তারা।
আরও পড়ুন:
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানান, তেলের সংকট হবে না, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ তাদের। গ্রাহকরা আরও জানান, দীর্ঘসময় লাইনে অপেক্ষা করার পর যে তেল পাওয়ার কথা বলেন তারা।
এদিকে গতকাল (শুক্রবার, ৬ মার্চ) যানবাহনের জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। এতে উল্লেখ করা হয়, প্রাইভেটকার ১০ লিটার তেল নিতে পারবে। আর মাইক্রোবাস জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল।
যদিও-বিপিসি বলছে কোনো সংকট নেই। তেল সংগ্রহে অনেক পাম্পে আগের রশিদ দেখাতে হচ্ছে।





